অত্যাচারী স্বামীকে স্ব-ইচ্ছায় তালাক দেয়া

অত্যাচারী স্বামী তালাক মন্ত্রঃ

হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের মাঝে এক অন্যতম ও অনুচিত একটি আলোচনা নিয়ে হাজির হয়েছি। তবে আপনারা কেউ এর অপব্যবহার করবেন না। সমাজে দেখা যায় অনেকেরই পরিবারে অশান্তি ও সুখের দেখা মেলে না। এসকল বিষয় বেশির ভাগই দেখা যায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। দেখা যায় স্বামী স্ত্রীকে ঠিক মতো ভালোবাসে না, আবার দেখা যায় অন্যকোন মেয়েকে নিয়ে অবৈধ্য সম্পর্কে জড়িয়ে নিজের সংসারের দিকে অমনোযোগী হয়ে পড়ে। নিজের পরিবারের কথা ভুলে যায়। যদি তার স্ত্রী কোন ভাবে এই অবৈধ্য সম্পর্কের কথা জানতে পারে জানার পর তার স্বামীকে বলতে গেলে সেই ব্যক্তি তার স্ত্রীর উপর মার ধর করে। আসলে তার স্ত্রীর তো কোন দোষ নেই এখানে পুরো সমস্যা বা দোষ তার। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বিভিন্ন পারিবারিক সমস্যার কারণে স্বামী স্ত্রীকে ধরে মারধর করে। স্ত্রী কোন ধরণের দোষ না করার পরেও তাকে এমনিতেই নির্যাতন করে। বিভিন্ন সমস্যার কারণে সংসারে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকে আবার জীবনকে নষ্ট করে। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে অনেক বোনেরাই সুসাইট মৃত্যুর রাস্তা বেছে নেয়। আবার শিক্ষিত দের ক্ষেত্রে এসব কম হয়। কারণ তারা ভাবতে পারে ও বুঝতে পারে যে, আমি এখান থেকে মুক্তি নিয়ে অন্যকোথাও জীবিকা নির্বাহ করতে কি পারিনা। অবশ্যই পারবো ঠিক তখন সেই স্ত্রী লোক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, আমি আমার স্বামীকে তালাক দিয়ে অন্যভাবে জীবন যাপন করতে চাই। আমি এই পরিবার হতে মুক্তি চাই। অনেক সময় মেয়েরা স্বামীর সংসার থেকে মুক্তি বা তালাক চাইলেও কিন্তু তার স্বামী তাকে তালাক বা বিচ্ছেদ করাতে দেয় না। অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে মুক্তি বা রেহাই পেতে কিংবা তালাক চাই বাধ্য করাতে এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করতে পারবেন।
বর্তমান যামানায় যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর অত্যাচারে তার কাছে বা সংসারে থাকতে পারছেনা। কিংবা আপনার স্বামী আপনার উপর প্রচন্ড অত্যাচার করতেছে। যদি আপনি চান তার সাথে কোন ধরণের ঝামেলায় না জড়িয়ে আপনি তাকে স্বইচ্ছায় তালাক দিতে চান। তাহলে আপনি এই প্রক্রিয়াটি কাজে লাগাতে পারবেন।
মন্ত্রঃ-“যবম্ লা তম লিকু নফসুল লিন ফসিন শয় অব্বিল আমরু যবম্ ই জিন্ লিল্লাহি (স্বামীর নাম)”
প্রয়োগ বিধিঃ- উপরোক্ত মন্ত্রটি একটি ভূর্জপত্রে কেশরের কালি দিয়ে লিখতে হবে। স্বামীর নামের জায়গায় আপনার স্বামীর নাম দিতে হবে। তারপর সেটি একটি মাদুলিতে ভরে কিংবা একটি তাবিজে ভরে এক হাত লম্বা সুতো দিয়ে গাছে টাঙ্গাতে হবে। গাছে ঝুলানোর সময় বলতে হবে। হে আল্লাহ আমার স্বামী (অমুক) আমাকে যেন ১৫ দিনের ভিতরে তালাক দিয়ে দেয়।
বিঃদ্রঃ- পুরো প্রক্রিয়াটি ভাল করে জানতে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন। আবারও বলতেছি কোন খারাপ কাজে বিনা কারণে ব্যবহার করবেন না। যদি করে থাকেন তাহলে আমার প্রতিষ্ঠান কোন ধরণের দায়ভার নিবে না। ধন্যবাদ।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}