আদা খাওয়ার উপকারিতা

আদা খাওয়ার উপকারিতাঃ

আদা শুক্‌না হলে তাকে শুঠ বলে হয়। শুঠের গুণাবলী সম্বন্ধে প্রশ্চাত্য ডাক্তারদের মত শুঠ সুগন্ধি, উষ্ণ ও স্নায়ুনাশক। এটি খেলে পেট গরম হয় ও পেট জ্বালা পোড়া করে। আদা পেটের ভিতরের বায়ু বের করে দেয়। শুর রোগে আদা উপকারী। আদা চিবিয়ে খেলে হজম হয়। গরম পানিতে শুঠ চূর্ণ মিশিয়ে কপালে দিলে শিরপীড়ায় উপকার হয়। তিক্ত ভেজস দ্রব্যকে সুগন্ধি করার জন্যে শুঠ ব্যবহৃত হয়। রেড়ির তেলের সাথে আদার রস মিশিয়ে খেলে জোলাপের কাজ করে। রসুন ও মধুর সাথে শুঠের মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে উপকার পাওয়া।

কবিরাজী মতে বিভিন্ন অসুখে ব্যবহারঃ

বিষম জ্বরেঃ পীতপুষ্প, বেড়েলার মূলের ছাল ও শুঠ সমানভাবে নিয়ে ক্কাথ তৈরি করতে হয়। ২-৩ দিন এ ক্কাথ পান করলে শীত ও কম্পদাহ সমন্বিত বিষমজ্বর দূর হয়।

বিসূচিকায়ঃ বেলশুঠ শুন্ঠীর ক্কাথ পান করলে বমন ও বিসূচিকা প্রশমিত হয়।

অজীর্ণেঃ খেজুর ও পানিফল অতিরিক্ত খাওয়াতে অজীর্ণ রোগে শুঠ উপকারী; এবং গাছলের দুধ দ্বারা ক্ষীর প্রস্তুত করে শুন্ঠির ক্কাথ হিক্কানাশক।

শীত-পিত্ত-রোগেঃ পুরানা গুড়ের সাথে আদার রস বিশেষ উপকারী।

আমবাতেঃ রোগীকাঁজীর সাথে শুঠচূর্ণ পান করবে।

হৃদ্‌রোগেঃ শুঠের ক্কাথ গরম গরম পান করলে হৃদ্‌রোগ ও কাশাদির পক্ষে উপকারী।

শিররোগেঃ গরুর সাথে মিশিয়ে নস্য গ্রহণ করলে তীব্র শিরোবেদনার উপশম হয়।

কর্ণশূলেঃ তিল তৈল ও আদার রসে কিছু মধূ ও সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে সামান্য গরম থাকতে থাকতে বিন্দু বিন্দু করে কানের ভিতরে দিলে বেদনা দূর হয়।

শোথেঃ পুরানা গুড় ও আদা সমভাগে ক্রমশ বৃদ্ধি করে একমাস খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ঔষধ জীর্ণ হলে দুধ বা মাংসের জুসের সাথে দিতে হবে।

অরুচি হলেঃ প্রতিদিন সকালে একটু একটু লবণ-আদা খেলে অরুচি সেরে যায়।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}