আদি ও আসল তন্ত্র-মন্ত্র

আদি ও আসল তন্ত্র-মন্ত্র বিষয়ক কিছু কথাঃ-

হ্যালো ভিউয়ারস্ লজ্জাতুন নেছা ওয়েব সাইটের পক্ষ্য থেকে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক সুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজ আমরা আপনাদের সামনে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। তাই সবাই একটু মনোযোগ সহকারে এই আলোচনাটি পড়বেন ও উপলব্ধি করবেন।

সারা বিশ্বজুড়ে যাদুবিদ্যা নিয়ে রয়েছে অপার কৌতূহল। পৃথিবীর সব প্রাচীন জাতিগুলোর মধ্য যাদু ও মন্ত্রের প্রচলন ছিল। আদিম মানবজাতির কাছে যাদু ছিল ধর্মের অঙ্গ। প্রাকৃত বা অপ্রাকৃত ঘটনাকে অলৌকিক উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার নামই হলো যাদুবিদ্যা। যাদুবিদ্যায় মূলত তিনটি বিষয় থাকে – মন্ত্র, মন্ত্রপূত বস্তু ও মন্ত্রাচার বা বিশেষ কাজ।

বিশ্বাস – সম্পূর্ণ মনোজ একটি ব্যাপার। সাধারণত বস্তু বা বিষয়গুণের ধারণা থেকে বিশ্বাস জন্ম নেয়। কোনো বস্তু বা বিষয়ের কার্যকরণ যখন বাস্তব ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, তখন তা বিশ্বাসের অঙ্গ হলেও জ্ঞান হিসেবে অভিহিত করা হয়। কিন্তু যখন জ্ঞান থাকে অনুপস্থিত, বস্তু বা বিষয়ের কার্যকারণ সম্পর্কে না জেনেই তাতে অমূলক আস্থা রাখলে অন্ধ বিশ্বাসের জন্ম হয়। অশিক্ষিত এবং কুশিক্ষিত মনই এমন বিশ্বাসের ধারক। কিছু লোকবিশ্বাস মানুষের দৈনন্দিন আচার-আচরণের সাথে মিশে গিয়ে জীবনযাত্রার পথে স্থায়ী ও প্রথাগত স্বাকৃতি লাভ করে। আচরণসিদ্ধ এবং প্রথাগত বিশ্বাসের এ পর্যায়কে সংস্কার বলা হয়। এগুলো অমূলক ও অকারণ বলেই এগুলোকে বলা হয় কুসংস্কার।

সব ধরনের কুসংস্কারের পেছনে রয়েছে অমঙ্গল চিন্তা। অর্থহানি, স্বাস্থ্যহানি, শাস্তিভোগ, বিচ্ছেদ-বিড়ম্বনা, বিপদের আশঙ্কা থেকে অমঙ্গল চিন্তা জন্ম নেয়। এসব অকল্যাণের জন্য দায়ী করা হয় অপদেবতা, শয়তান, ভূত-প্রেত ইত্যাদিকে। এদের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আশ্রয় নেয়া হয় যাদুবিদ্যার। সারা বিশ্বজুড়ে যাদুবিদ্যা নিয়ে রয়েছে অপার কৌতূহল। পৃথিবীর সব প্রাচীন জাতিগুলোর মধ্য যাদু ও মন্ত্রের প্রচলন ছিল। আদিম মানবজাতির কাছ��� যাদু ছিল ধর্মের অঙ্গ। প্রাকৃত বা অপ্রাকৃত ঘটনাকে অলৌকিক উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করার নামই হলো যাদুবিদ্যা। যাদুবিদ্যায় মূলত তিনটি বিষয় থাকে – মন্ত্র, মন্ত্রপূত বস্তু ও মন্ত্রাচার বা বিশেষ কাজ। যাদুবিদ্যা দিয়ে ভালো-মন্দ দু ধরনেরই কাজ করা হয়। মঙ্গলের জন্য যাদু প্রকাশ্যে করা হয়। ঝাড়ফুঁক, টোটকা চিকিত্‍সা ইত্যাদিতে যাদু সমাজস্বীকৃত। এগুলোকে শুক্ল ইন্দ্রজাল বা white magic বলে। অন্যের ক্ষতি সাধনের জন্য যাদুমন্ত্র গোপনেই করা হয়। মারণ, উচাটন, বশীকরণ ইত্যাদি যাদু ক্ষতিকারক বলে এগুলো গোপনে করা হয়। এগুলোকে কৃষ্ণ ইন্দ্রজাল বা black magic বলা হয়। যাদুবিদ্যা প্রয়োগের উপায় বা উপকরণ নানা ধরনের হয়ে থাকে। বিশেষ প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ ও জড়বস্তু যাদুর কাজে ব্যবহার করা হয়। মানুষের চুল, নখ, গায়ের ময়লা; জীবজন্তুর হাড়, চামড়া, দাঁত, মাংস; পাখির পালক, নখ, মাংস, রক্ত; গাছগাছড়ার ফুল, ফল, লতা, শিকড়, ছাল; জড়বস্তুর মধ্যে মাটি, পাথর, সোনা, রূপা, তামা, লোহা, কড়ি, ঝাড়ু ইত্যাদি যাদুবিদ্যার কাজে ব্যবহার করা হয়। যাদুবিদ্যার রয়েছে নানা ধরন, নানা প্রকার। যাদুবিদ্যার চর্চা করত এমন ডাকিনী, যোগিনী, ওঝা, গুণীন প্রভৃতি শ্রেণীর নরনারীর উল্লেখ প্রাচীন যুগ থেকে পাওয়া যায়। বৌদ্ধগুরু, নাথযোগী, হিন্দুতান্ত্রিক, মুসলমান ফকির, বৈষ্ণব বৈরাগীরা গুণমন্ত্র ও অলৌকিক শক্তির অধিকারী ছিলেন। তাঁরা যে যাদুবিদ্যার চর্চা করতেন তার প্রমাণ হলো ডাকতন্ত্র, বিবিধ বচন, নাথসাহিত্য, যোগতন্ত্র, ফালনামা ইত্যাদি রচনা গ্রন্থ।

বাঙালির সংস্কার, আচার ও বিশ্বাসে যাদুবিদ্যা ও প্রেততন্ত্রের প্রভাব প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। মন্ত্র পড়ে বৃষ্টি নামানো, মাটিতে ডাল পুঁতে তাতে পানি ঢেলে বৃষ্টির নকল তুলে আসল বৃষ্টি কামনা করা – এমন লৌকিক বিশ্বাস ও আচারের উদ্ভবের মূল যাদুবিদ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রাকৃতিক নিয়মের রহস্য ধরতে না পেরে আদিম মানব মন অলৌকিক উপায়ে তার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে – যাদুবিদ্যা সেই অতীন্দ্রিয় কাজের বিষয়। বাংলাদেশের লোকজীবনে ঝাড়ফুঁক, তুকতাক, দারুটোনা, মারণ-উচাটন, বন্ধন ইত্যাদি মন্ত্র ও মন্ত্রাচারে যাদুবিদ্যার প্রভাব এখনো পর্যন্ত চলে আসছে। কিছু বিষয় হরহামেশাই দেখতে পাওয়া যায়। যেমন –

  • কবিরাজ বা ওস্তাদ গাছ-গাছড়া, তুকতাকের সাহায্যে চিকিত্‍সা করে।
  • ওঝা বা ফকির মন্ত্রের সাহায্যে সাপের বিষ নামায়, এমনকি ভূতও তাড়ায়!
  • শিলাবৃষ্টি রোধ করার জন্য বিশেষ শ্রেণীর পেশাদার মানুষদের কথা জানা যায়, যার ঝড়ে দিনে ক্ষেতে দাঁড়িয়ে শিঙ্গায় ফুঁ দিয়ে ও মন্ত্র পাঠ করে হিরালি শিলা, বজ্র ও বৃষ্টির গতি নিয়ন্ত্রণ করে কৃষকদের ফসল রক্ষা করত।
  • সাপ ধরে ও খেলা দেখিয়ে বেদেরা এখনো জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সাপে কাটার চিকিত্‍সা, সাপের দংশন থেকে বাঁচার মন্ত্রপূত তাবিজ, শেকড়বাকড় তারা দিয়ে থাকে। এমনকি তারা মন্ত্রও শিখিয়ে থাকে।
  • কারু ক্ষতি করার জন্য বাণ মারা বা বশীকরণ করার জন্য তান্ত্রিক বা ফকিরদের কাছে এখনো মানুষজন যায়। চোর ধরা, হারানো জিনিস খুঁজে বের করার জন্যও এদের সাহায্য নিয়ে থাকে মানুষজন।

আপনি যদি কোন সমস্যার সমূক্ষীন হয়ে থাকেন কিংবা অহেতুক কোন ঝামেলার স্বীকার হন তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ও সঠিক সমাধান গ্রহণ করুন অতি সহজে। আর যদি কেউ নিজে নিজেই তন্ত্র-মন্ত্র আয়ত্ব করতে চান, তাহলে এখনি যোগাযোগ করুন ও আমাদের বুক ষ্টল থেকে কয়েকটি কার্য্যকরী পুস্তক সংগ্রহ করুন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। আমাদের সাথে মোবাইলে যেকোন সময় কথা বলতে পারেন নিচের নাম্বারে। ধন্যবাদ।

+8801767296990

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}