আধ্যাত্মিক শক্তি লাভের উপায়

আধ্যাত্মিক শক্তি লাভের উপায়ঃ

***আপনার জীবনকে সহজ করতে আপনার পাশে***

আমাদের আজকের বিষয় অলৌকিক শক্তি অর্জন বা আধ্যাত্মিক শক্তি লাভের উপায় কিভাবে হয়। এই ভ্রাম-মন্ডে যেসব অলৌকিক শক্তির ধারা রয়েছে বা বয়ে চলেছে সাধারন মানুষ তার মানসিক শক্তির দ্বারা সেই শক্তির সামান্য কিছু অর্জন করতে পারে। তবে তার শক্তি বা শক্তির সীমা থাকে না। মানসিক শক্তির দ্বারা মানুষ ত্রিকাল দর্শন করতে পারে। তাছাড়াও জলে হাঁটা, বাতাসে উড়া, অক্সিজেন ছাড়া দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা ইত্যাদি শক্তি অর্জন করতে পারে। এই মানসিক শক্তি সমতুল্য কোন শক্তিই প্রথিবীতে নেই। তাই নিশ্চিত বিধিতে ধৌর্য সৌর্য সহকারে দীর্ঘ সাধনা ও অভ্যাস করলে যেকোন ব্যক্তিই এ চমৎকার শক্তির অধিকারী হতে পারে। এ বিষয়ে পৃথিবীর অনেক দেশের বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা চালাচ্ছে। যেমনঃ- ইনটিউশন, টেলিপ্যাথি, সিক্সসেন্স এবং সাইকোকিনেশিশ এই সব বিষয়ে অনুসন্ধ্যান ও গবেষণা চলছে। সাইকোকিনেশিশ এমন একটি মানসিক শক্তি যার দ্বারা ব্যক্তি কোন বস্তু কোন স্থান থেকে অন্য স্থানে সরাতে পারে তা কোন স্পর্শ না করেই। রাশিয়ার জৈনিক এক মহিলা জন্ম থেকেই তিনি এ শক্তি নিয়ে জন্মেছিল, তিনি কোন এক বস্তুকে একবার দেখে নিলে সেটাকে কোন স্পর্শ ছাড়াই নিজের কাছে টেনে আনতে পারতো। আমৃত্যু তিনি এর প্রয়োগ করে গেছেন। যদি কোন মানুষ চেষ্টা করে, তাহলে সে অবশ্যই এই শক্তি অর্জন করতে পারে। এর জন্য চাই অটুট ইচ্ছাশক্তি, দৃঢ় আত্মবিশ্বাস এবং ধৌর্যশীল অভ্যাস। যেসব জিনিসকে আমরা আপাতত দৃষ্টিতে আশ্চর্য্য বলে মনে করি ও অসম্ভব বলে মনে করি আর ভাবি তাকি সত্যিই করা সম্ভব শুধু মানসিক শক্তি ব্যবহার করে?

সংসারে যত বস্তু আছে সকল বস্তুরই প্রাণ রয়েছে। তাই সজীব ও নির্জীব উভয়ের উপর মানসিক শক্তির প্রভাব সমান ভাবে পরে। তাই এই মানসিক শক্তি কোন ধাতু বা গাছপালার উপর প্রভাব বিস্তার করে। প্রকৃতির যে অখন্ড রুপ তা সর্বত্ত সক্রিয়। অনু পরমানু ও ইলেকট্রিক যন্ত্রের উপরও এর প্রভাব বিস্তার করে। তাই বৈজ্ঞান একে পরশক্তি বা পরা শক্তি বলে। বিজ্ঞানিরা এর অসতিত্ব সমন্ধ্যে জানার জন্য অবহিত রয়েছে। এই মানসিক শক্তি সংসারের সমস্ত বস্তুকে আবৃত্ত করে রেখেছে। যদি কোন সাধক এই মানসিক শক্তির বিকাশ ঘটাতে চায় তাহলে সেই সাধককে যেকোন বস্তুর গভীরে প্রবেশ করে তার গুণগত মান নির্ণয় করতে হবে। তবেই মিলবে সেই চমৎকার ও অদ্ভূদ শক্তি যার দ্বারা মিলবে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারবে। এই পথেই সাধক আত্মা বা পরম আত্মার সন্ধ্যান লাভ করতে পারবে। মানুষের মধ্যে টেলিপ্যথি দ্বারা সংবাদ প্রেরণ বা প্রাপ্ত করা হয়েছে। যেভাবে অভ্যাস ও অনুশীলনের দ্বারা মানুষ বিভিন্ন ক্ষমতা বা শক্তি প্রাপ্ত হয় ঠিক সেই ভাবেই মানুষ নিরর্তন অভ্যাস ও মনোযোগের দ্বারা মানুষ এই শক্তিকেও অর্জন ও করায়ত্ব করতে পারে। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে আশ্চর্য্যজনক শক্তি আছে। প্রয়োজন তাকে জাগ্রত করা শরীর ও মনের উপর ক্ষমতা প্রাপ্ত করার প্রধান উপায় হলো প্রাণায়মান ও যোগ অভ্যাস। ত্রাটক,  প্রাণায়মান, যোগ, ধ্যান ও বিভিন্ন সাধনার দ্বারা মানুষ এই শক্তিকে জাগ্রত ও বিকশিত করতে পারে। মানসিক শক্তি ও মন এই দুটোই পৃথক, মানসিক শক্তির অনিবার্য্য রুপ হলো ক্রিয়া। এটি একটি রহস্যময় আকর্ষণ যার দ্বারা দূরস্থ বিভিন্ন অন্তর ও অনুকে সংগঠিত করে। একেই মানুষ মানসিক শক্তি বলে। তাছাড়া মানুষের অনুভূর্তি, ইচ্ছা, ভাবনা, চিন্তা, বাসনা, লোভ-লালসা ইত্যাদির সম্পর্ক মনের সঙ্গে তাই মানসিক শক্তি ও মন এই দুটিই পৃথক জন সত্বা বা চর্চ। যেমন- চৌম্বুক বা বিদ্যুৎ ইথারের মাধ্যমে গিয়ে ঐ রুপ তরঙ্গ বা ঐ রুপ বস্তু উৎপাদন করে থাকে। তেমনি ঐ রুপ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানসিক মন এক দেহ থেকে বেরিয়ে ইথারের মাধ্যমে অন্য দেহের ভিতর প্রবেশ করে ঐ রুপ চিন্তা শক্তি উৎপাদন করে থাকে। ইথারের মাধ্যমে আপনি যখন কোন ব্যক্তির উপর মানসিক শক্তি প্রয়োগ করছেন তখন ঐ ব্যক্তির মনের উপর আপনি নিজ মনের প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। ঠিক এই ভাবেই যেকোন ব্যক্তির আচরণ, ও ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা ও তার মনের খবর জানতে পারবেন। সাধারনত মানুষ তার মাথার পিছন দিক থেকে বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে। যা ইথারের মাধ্যমে অন্য মস্তিষ্কে প্রবেশ করে।

বন্ধুরা আজ আর নয় এখানেই আজকের আলোচনা শেষ করছি তবে, শেষ বেলায় বলে রাখি আপনি হয়তো ত্রাটক ও মেডিটেশন এর নাম শুনেছেন কিন্তু আপনি তা করতে পারতেছেন না। কিংবা যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা নিতে চাচ্ছেন সেখান কার কোর্চ ফি অনেক বেশি। ঠিক তাদের জন্যই আমাদের এই আলোচনা সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি। আপনারা সাথেই থেকে আমাদেরকে সার্পোট দিবেন। তাহলে আমরা খুশি হব এবং তাড়াতাড়ি আলোচান গুলো শেয়ার করবো। আর আপনারা যাহারা এই ত্রাটক ও মেডিটেশন তাড়াতাড়ি শিখতে চান তারা আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করে কোর্চটি কিনে নিতে পারেন আর তাড়াতাড়ি ত্রাটক শক্তি অর্জন করতে পারবেন। ত্রাটক শক্তির দ্বারা মানুষ অসাধ্য কাজ হাসিল করতে পারে।

।।।ধন্যবাদ।।।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}