আপনার মাইন্ডের অলৌকিক শক্তি সম্পর্কে জানুন>>>

আপনার সাব কনসিয়াস মাইন্ডের অলৌকিক শক্তিঃ

আচ্ছা আপনি কি জানেন কেনো কেউ সবসময় হ্যাপি থাকে আর কেউ সবসময় খারাপ থাকে? কেনো একজন স্টুডেন্ট ক্লাসের টপার হয়ে যায় আবার কেউ লুজার হয়ে যায়? কেনো কেউ অনেক বরো কোনো রোগের থেকেও অনেক তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে আবার কেউ ছোটোখাটো কোনো রোগের কবল থেকেও সুস্থ হতে পারেনা। কেনো কেউ কোনো কাজে হাত দিলে সেটাতে সফলতা পায় আর কেউ অনেক হার্ডওয়ার্ক করার পরেও সফলতা পায়না। বন্ধুরা এইসব প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছেই আছে। হ্যা আপনার সুপার পাওয়ার সাব কনসিয়াস মাইন্ডেই আছে এইসব প্রশ্নের উত্তর।
আমরা আমাদের মাইন্ড পাওয়ারের ব্যাপারে প্রায় কিছুই জানিনা, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই লুকিয়ে আছে অফুরন্ত শক্তি। আমাদের উচিত সেই শক্তিকে জাগ্রত করা। কিন্তু আমরা আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ডের সেই অফুরন্ত শক্তির ব্যাপারে এক শতাংশও অবগত নই। যেদিন আপনি আপনার মাইন্ড পাওয়ারকে বুঝতে সক্ষম হবেন সেদিন আপনি যেকোনো সমস্যা থেকে অতি সহজেই বেরিয়ে আসতে পারবেন। যে কাজেই হাত দেবেন সে কাজেই সফলতা পাবেন। মাইন্ড পাওয়ারের সাইন্টিফিক টেকনিক কাজে লাগিয়ে আপনি নিজেকে আগের থেকে অনেক বেশি সুখি আর এনার্জিতে ভরপুর মনে করবেন।

আপনি আপনার মাইন্ডকে যদি বিশ শতাংশও বুঝতে সক্ষম হন তাহলে সাকসেসের পেছনে আপনাকে ছুটতে হবেনা, সাকসেস ছুটবে আপনার পেছনে।
আজ পর্যন্ত আমরা আমাদের মাইন্ডের পাওয়ারকে সম্পুর্ন ব্যবহার করতে পারিনি। কিন্তু এর কারন কি? বন্ধুরা এর কারন হল আমরা জানিই না যে আমাদের মাইন্ড কতটা শক্তিশালী, আমাদের মাইন্ডকে কাজে লাগালে আমরা কি না করতে পারি। ইশ্বর পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুশকে, একজন রাস্তার ভিখারি থেকে শুরু করে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনি ব্যক্তিকেও একই শক্তি প্রদান করেছে। যারা আজ সাকসেসফুল মানুশ তারা তাদের মাইন্ডের শক্তির পরিচয় পেয়ে গেছে এবং সেটাকে কাজে লাগিয়েছে। একটা সমিক্ষায় বলা হয়েছিল যে যারা সাকসেসফুল ব্যক্তি তারা তাদের মাইন্ডের মাত্র ১০% কাজে লাগিয়েছে। তাহলে বন্ধুরা একবার ভাবুন, আমরা আমাদের মাইন্ডকে যদি সম্পুর্ন রুপে বুঝতে সক্ষম হই তাহলে আমরা কি না করতে পারি।

the treasure house within you এই বইয়ের লেখক জোসেফ মরফি বলেছে যে আমাদের প্রত্যেকের ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত অলৌকিকসম শক্তি। আর সেই শক্তি অত্যন্ত অদ্ভুত এবং যার কোনো শেষ নেই, সেই শক্তি অনন্ত। আমরা ইচ্ছে করলেই সেই শক্তির থেকে যা ইচ্ছে তাই সংগ্রহ করতে পারি। আর সেই অদ্ভুত শক্তির নাম হল আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ড। জোসেফ মরফি তার বইয়ে আরো লিখেছে যে, এই পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুশ আছে, এক প্রকার হল সেইসব সাকসেসফুল ব্যক্তি যাদের সেল্ফ কনফিডেন্স লেভেল অত্যন্ত হাই, যারা সব সময় পজিটিভ চিন্তাভাবনা করে এবং তারা তাদের মাইন্ডএর প্রচুর ব্যবহার করে আর যার ফলেই তারা খুব সহজেই সাকসেসফুল হয়ে যায়। কিন্তু অপরদিকে যারা আছে তাদের কনফিডেন্স লেভেল একদম লো, তারা সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকে, তারা ভাবে যদি আমি এটা করার পর সাকসেস না হই তাহলে কি হবে? লোকে কি ভাববে? ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক নেগেটিভ থট দিয়ে তাদের মাইন্ডকে কনফিউজড করে দেয় আর যার ফলেই তারা সাকসেসফুল হতে পারেনা।

কনসিয়াস মাইন্ড এবং সাব কনসিয়াস মাইন্ড।
বন্ধুরা আমাদের মাইন্ড দুই প্রকারের, একটা হল কনসিয়াস মাইন্ড আর একটা হল সাব কনসিয়াস মাইন্ড। আমাদের কনসিয়াস মাইন্ডের কাছে মাত্র দশ শতাংশ শক্তি রয়েছে কিন্তু ৯০ শতাংশ শক্তিই আছে আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ডের কাছে। একবার ভাবুন যার কাছে ৯০% শক্তি আছে আর যে ব্যক্তি তার সাব কনসিয়াস মাইন্ডকে কন্ট্রোল করতে পারে সে এই পৃথিবীতে কি না করতে পারে।

আমাদের দুই প্রকারের মাইন্ডের কাজ আলাদা আলাদা। যেমন আমাদের কনসিয়াস মাইন্ডের কাজ হল আমাদের logical thinking, iq, opportunity, desire, will পাওয়ার ইত্যাদি ইত্যাদি কে কন্ট্রোল করা। কনসিয়াস মাইন্ড মানুশের জাগ্রত অবস্থায় কাজ করে আর মানুশ যখন ঘুমিয়ে পরে তখন আমাদের কনসিয়াস মাইন্ডও কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

আর অন্যদিকে আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ড যার উপরে কন্ট্রোল করে সেগুল হল- belief, vallu, long term memory, habbit, imagination, mental control, pain control, creative planning, finding problame, magnetic power, hilling power, sq,eq,telepathy,memory power, control the atmosphere extra extra সহ আরো অনেক কিছুই আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ডের কন্ট্রোলে আছে। আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ড ২৪ ঘন্টা জাগ্রত অবস্থায় থাকে, আমরা যখন ঘুমিয়ে পরি তখনও আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ড কাজ করেই চলে, ছোটো একটা উদাহরন দিয়ে আপনাদের বোঝাচ্ছি যে কনসিয়াস মাইন্ড আর সাব কনসিয়াস মাইন্ড ঠিক কেমন করে কাজ করে।

এটা একটা বাগান, এবার মনে করুন এই বাগানের মালিক আপনি নিজে। আপনি এই বাগানে যে বীজ বুনবেন ভবিষ্যতে সেটাই আপনি পাবেন। এমন কিন্তু নয় যে এই বাগানে করলার বিজ বুনে আপনি আম পাবেন। আপনি যদি করলার বিজ রোপন করে থাকেন তাহলে করলাই পাবেন। আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ডও ঠিক এরকমি এক বাগানের মত। আপনি আপনার মাইন্ডে যদি পজিটিভ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যের থট চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে আপনার সাব কনসিয়াস মাইন্ডও ফলস্বরূপ আপনাকে সফলতা উপহার দেবে। আর যদি আপনি আপনার মাইন্ডে নেগেটিভ এবং অনির্দিষ্ট লক্ষের থট সবসময় চিন্তাভাবনা করেন তাহলে আপনার জীবনে নেমে আসবে ফেইলিয়ারের বন্যা।

বন্ধুরা চলুন এবার জেনে নেই কনসিয়াস মাইন্ড আর সাব কনসিয়াস মাইন্ড কি করে দুটো একই সাথে কাজ করে। মনে করুন একটা কমপানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর যেভাবে ইচ্ছে সেভাবেই সে তার কম্পানি চালায়। সে যেটা অর্ডার দেয় তার কর্মচারীরা সেগুল বিনাবাক্যে পালন করে। কারন তারা জানে যে তাদের ম্যানেজিং ডিরেক্টর যেটা বলবে সেটাই করতে হবে। বন্ধুরা ঠিক সেরকমি হল আমাদের কনসিয়াস মাইন্ড, আমাদের কন্সিয়াস মাইন্ডও সেই কম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টরের মত। আমাদের কনসিয়াস মাইন্ড, সাব কন্সিয়াস মাইন্ডকে যেটা আদেশ দেয় আমাদের সাব কনসিয়াস মাইন্ড সেটাকেই মেনে নেয়। সাব কন্সিয়াস মাইন্ড এটা জানেনা কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। সে শুধুই অর্ডার ফলো করে আমাদের। আপনি যদি বলেন যে আমি এটা কিনতে পারব না কারন এটা কেনার মত আমার কাছে টাকা নেই কিংবা এটা ব্যাবহার করার মত আমার যোগ্যতা নেই। ফ্রেন্ডস আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি আপনি জিবনেও সেটার মালিক হতে পারবেন না, কারন আপনি নিজেই আপনার সাব কনসিয়াস মাইন্ডকে অর্ডার দিচ্ছেন যে এটা কেনার যোগ্যতা আপনার নেই। আর সাব কনসিয়াস মাইন্ডও আপনার অর্ডার বিনাবাক্যে পালন করে যাবে এবং আপনার লাইফে সেগুল না কেনার মত পরিস্থিতি ক্রিয়েট করেই যাবে। আমি আমার পছন্দের এই গাড়িটা নিতে পারব না, বাড়ি বানাতে পারব না, আরে আমার কপালে তো চাকরি বলতে কোনো জিনিশই নেই সবই আমার কপালের দোষ। না ফ্রেন্ডস কপালের দোশ বলতে কিচ্ছুই হয়না আসলে আপনি নিজেই আপনার সাব কনসিয়াস মাইন্ডকে অর্ডার দিয়েছেন আপনার গোলকে সাকসেসফুল না করার। আসলে আপনিই আপনার দুর্ভাগ্য কে দোশ দিচ্ছেন আর আপনিই বলছেন এটা আপনার দোশ। সেজন্যেই বন্ধুরা আজকের থেকে কখনো নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা করবেন না। সব সময় পজিটিভ ভাবুন পজিটিভ কিছু করুন। আপনি যদি আপনার ড্রিম কার এখন নিতে না পারেন তাহলে কখনই বলবেন না এটা আমি নিতে পারব না, বরং বলুন আমি এখন নিতে পারব না ঠিকি কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি আমার ড্রিম কারে আমি ড্রাইভ করবই করব।

তাই বন্ধুরা আজ থেকেই আপনার মাইন্ডে পজিটিভ থট নিয়ে চিন্তা করুন, সবসময় পজিটিভ আর সেল্ফ কনফিডেন্সে ভরপুর থাকুন। কারন আমাদের ভবিষ্যত লুকিয়ে আছে আমাদের থটের মধ্যেই। যদিও আমরা আমাদের থটকে কন্ট্রোল করতে পারিনা কিন্তু ইচ্ছে করলে মানুশ কি না করতে পারে। আজ থেকে অভ্যাস শুরু করে দিন, আপনার সাব কন্সিয়াস মাইন্ডকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যের পজিটিভ থটের নির্দেশ দিন আর তারপরে দেখুন আপনার জীবন কেমন করে বদলে যায়।

আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}