এই দুই সাধারণ জিনিসেই আসবে অর্থ ও সৌভাগ্য

এই দুই সাধারণ জিনিসেই আসে অর্থ ও সৌভাগ্য জানাচ্ছে বাস্তু শাস্ত্র !

হ্যালো ভিজিটর বন্ধুগণ লজ্জাতুন নেছা ওয়েব সাইটের পক্ষ্য থেকে সবাইকে স্বাগতম।

আজ আমি আপনাদেরকে এমন দুটি জিনিসের কথা বলবো যা বাড়িতে অধিক পরিমাণে অর্থ লাভ করতে ও সুভাগ্য বয়ে আনতে সাহায্য করে, জানাচ্ছে বাস্তু শাস্ত্র। ভারতীয় বাস্ত্র শাস্ত্র অধিক পরিমানে জোর দেয় এই বাস্তু শাস্ত্রের উপর। এ কারণেই বাস্ত্র শাস্ত্র লক্ষ্মী দেবী ও গণপতীকে তুষ্ট রাখা আবশ্যক।। এই দুই দেবতাকে যে, অধিক পরিমানে অর্থ ব্যয় করে পূজা করতে হবে তা কিন্তু নয়, খুব সামান্য পরিমাণ বা সল্পব্যয়ী এই পূজা আসন। সাধারণত দুটি জিনিসের উপরই তুষ্ট হন রিদ্দি ও সিদ্দির এই অধিষ্ঠাতা দেবগণ। তাই এই চমৎকার দুটি জিনিস সম্পর্কে জানতে আলোচনাটির শেষ পর্যণ্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।।

হিন্দু শাস্ত্রে লবণ ও হলুদ কে খুব পবিত্র বলে মনে করা হয়। যেকোন গৃহস্থের রান্নাঘরেই থাকে রন্ধনের এই অপরিহার্য্য উপাদান। বিবিধ; হিন্দু ধর্মের  অনুষ্ঠানে ও পূজা কর্মের লবণ ও হলুদকে অপরিহার্য্য অঙ্গ বলে মনে করা হয়। বাস্তু শাস্ত্রে এমন ও বলা হয়েছে। লবণ ও হলুদের সঠিক ব্যবহার, বদলে দিতে পারে মানুষের ভাগ্য। বাস্তু শাস্ত্রে জানা যায় এই দুই উপাদান গণেশ ও লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে পারে। তাহলে আসুন জেনে নেই এই দুটি জিনিসের ব্যবহার সম্পর্কে। লবণ ও হলুদ এমন দুটি উপাদান যা ছাড়া রন্ধন প্রায় অসম্ভব। গৃহে এদের উপস্থিতি সমৃদ্ধি তরান্বিত করে বলে জানায় বাস্তু শাস্ত্র। বাস্তু মতে গৃহ কখনোই লবণহীন রাখা উচিৎ নয়। কারণ লবণ হীন গৃহ থেকে দেবী লক্ষ্মী চলে যায়। কাঁচা হলুদ কে গণপতীর প্রতীক বলে মনে করা হয়। গৃহে হলুদের অবস্থান গণপতীর অধীষ্ঠান কে সূচীত করে। কেবল আর্থিক সমৃদ্ধিই নয়। এই দুই বস্তু শারীরিক সুস্থতাকেও সমৃদ্ধ রাখে। লবন থেকে বহু রকমের বাস্তু দোষ দূর হয়। ছোট ছোট পাত্র ভরে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রেখে দিন এতে ঘরের বাস্তু দোষ দূর হয়ে যাবে। তবে বাস্তু শাস্ত্র জানায় লবণ ও হলুদ কখনোই একপাত্রে বা একখানে রাখতে নেই। এমনটি লবণ ও হলুদের পাত্র পাশাপাশি না রাখাই ভালো। বার্থরুমে একটি পাত্রে কিছুটা লবণ রেখে দিন। পাত্রের লবণ কিছু দিন পর পর বদলে দিবেন। এতে সংসারে সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগবে।

বিঃদ্রঃ- এই বাস্তু শাস্ত্রটি কেবল মাত্র হিন্দু ভাইদের জন্য, তা কিন্তু নয়। এটা সবার জন্যই মেনে চলা শ্রেয়।। তাই আর দেরী না করে আপনারা ট্রাই করে দেখতে পারেন।। কি এমন কাজ খুব কঠিন ও নয় আবার খুব যে, বেশি ঝামেলা তাও কিন্তু নয় তাই ব্যবহার করে দেখতে পারেন।।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ} ***লজ্জাতুন নেছা বইটি ১-৭ খন্ড ফ্রিতে পেতে চাইলে এখুনি উপরের এ্যড টিতে ক্লিক করুন***