এই সকল নারী ও পুরুষ হতে দূরে থাকুন

এই সকল নারী ও পুরুষ হতে দূরে থাকুন!!!

এই পৃথিবীটা চালাক এবং স্বার্থপর পূর্ণ হয়ে আছে। এই জীবনে মানুষকে অনেক সময় এমন লোকের সান্নিধ্যেও যেতে হয় যে, যদি আমারা সেখানে অবিবেচক হয়ে নিজের কাজ গুছিয়ে না নিই, তাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে। কাজেই আমাদেরও বিবেক বুদ্ধি থাকলেও অনেক সময় অবিবেকী মানষের সাহচর্যে আসতে হয়। সেজন্য যদি আমরা বিবেকবান, ন্যায়পরায়ণ মানুষ বেছে নিতে পারি, তাহলে আমরা লাভবান হতে পারি, এবং তাতে দুঃখ হয় না। যন্ত্র সাধকের কাছে এমন অনেক লোক আসেন বা আসতে পারেন যারা অপরেরক্ষতি করার জন্যে যন্ত্রদি প্রার্থনা করে থাকেন। আবার অনেক সময় সাধককে ধোঁকাবাজিতেও ফেলে দেন। যদি এই সব লোককে প্রথম থেকে চেনা যায় বা বোঝার কায়দাটা জানা যায়, তাহলে সাধক কে কিরকম লোক বুঝে নিতে পারেন। আসল নকল লোক চেনার উপায় হলো নিম্নপ্রকার-

আসল ন্যায়বান পুুরুষ মানুষের পরিচয়ঃ

আকৃতি- যেসব ব্যক্তির দেহ আবশ্যকতার চেয়ে বেশী ছোট হয়, সেই ব্যক্তি মূর্খ হয়ে থাকে, আবার যার দেহ আবশ্যকতার চেয়ে বেশি লম্বা হয়, সে খুব চতুর হয়।

চোখ-যাদের চোখ কোটরগত হয়, সেই ব্যক্তি প্রতারক এবং এই কার্যে নিপুণ হয়। যদি চোখ দুটি গোল গোল হয়ঢ। অপরকে ধোঁকা দেওয়াই তার কাজ। তারা ডান হাতে যে কাজ করে, বাঁ হাতে তার  বিপরীত করে। যাদের চোখ ছোট, তারা নানারকম মন্দ কাজে ব্রতী হয়। ময়ূরের মতো যাদের চোখ, তারা বেইমান হয়। যারা কথা বলার সময় এদিক ওদিক চোখ ঘোরায়, তাদের কথা বিশ্বাস করা যায় না।

মাথা- যাদের মাথা দেহের অনুপাতে ঠিক থাকে তারা বিশ্বাসী হয়। যাদের মাথা দেহ অনুপাতে ছোট হয়, এবং চলার সময় বা কথা বলার সময় কাঁধের ওপর এদিক ওদিক হেলায়, তাদের কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যাদের মাথা চওড়া, তারা ভাগ্যবান এবং বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।

কোমর- যে সব ব্যক্তির কোমরের গঠন আবশ্যকতার চেয়ে চওড়া হয়, সেই সব ব্যক্তি স্বার্থপর এবং মতলববাজ হয়ে থাকে।

পিঠ- যাদের পিঠ খুব চওড়া হয়, তারা খুব ধোঁকাবাজ হয়, এবং সব সময় অপরের ক্ষতিকারক হয়।

মেরুদণ্ড- যে সব ব্যক্তির মেরুদণ্ড ওপর নীচে এক সমান হয়, তারা বেহায়া, লজ্জাহীন, প্রতারক, চালবাজ এবং চালাকীর দ্বারা কাজ করিয়ে নেয়।

কান- যাদের কান খুব ছোট হয়, তারা মতলববাজ এবং সর্বদা নিজের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করে থাকে। অপরের যত ক্ষতিই হোক, নিজের কিসে লাভ হবে, সেই চেষ্টায় থাকে। স্বাভাবিক কানযুক্ত ব্যক্তি উত্তম চরিত্রযুক্ত এবং বিশ্বাসী হয়।

নাক- টিয়াপাখি অথবা চিলের ঠোঁটির মতো নাকযুক্ত ব্যক্তি মতলববাজ, চিন্তাহীন, ভীরু এবং হিংসুক হয়ে থাকে।

ঠোঁট- মোটা, চওড়া, লাল অথবা কালো ঠোঁটযুক্ত ব্যক্তি হিংসুক, কুপথগামী, অসভ্য ও নীচ প্রকৃতির হয়ে থাকে। যদি ঠোঁটের ওপরের অংশ অল্প উঁচু হয়, তাহলে সেই ব্যক্তি দাম্ভিক, হঠকারী, ছল-কপট প্রভৃতিতে দক্ষ হয়। কারও যন্ত্র রচনা করার আগে তার লক্ষণ অবশ্য দেখে নিতে হবে যে, আপনি যার যন্ত্র তৈরী দিচ্ছেন, সেই ব্যক্তি দুষ্ট প্রকৃতির বা কোন দোষযুক্ত কিনা। বিশেষ করে স্ত্রীলোকের লক্ষণ তো প্রথমেই বিচার করে দেখতে হবে। কারণ মৌলভী এবং তান্ত্রিকদের ফেরে স্ত্রীলোকদেরই বেশি পড়তে দেখা যায়।

আসল ন্যায়বান নারীর পরিচয়ঃ

স্ত্রীলোক-লক্ষণ নিম্নপ্রকার-

আকৃতি- বেঁটে আকৃতিযুক্ত স্ত্রীলোক চরিত্রহীন এবং লজ্জাহীন হয়। এরা বিনা মতলবে অর্থাৎ চিন্তা না করেই কাথাবার্তা বলে থাকে। এদের ওপর কোন প্রকার বিশ্বাস করা চলে না। যে স্ত্রীলোকের শোবার সময় চোখ খোলা থাকে, সে তার স্বামীর আজ্ঞাকারী হয় না। যে সব স্ত্রীলোকের হাসার সময় গালে গর্ত হয় এবং চোখ বড় বড় করে, তার কথার ওপর বিস্বাস করা যায় না।

মুখ- ছোট মুখযুক্ত স্ত্রীলোক প্রায়ই দুঃখদায়ী হয়ে থাকে।

দাড়ি- গোঁফযুক্ত স্ত্রীলোক বেশি বদ স্বভাবের হয়ে থাকে।

চোখ- যেসব স্ত্রীলোকের চোখ শুকনো সে চরিত্রহীন  এবং ধোঁকাবাজ হয়।

নাক- যেসব স্ত্রীলোকের নাকের ডগা লম্বা হয়, তারা ঝগড়াটে হয়ে থাকে। আর যদি নাকে চুল থাকে তাহলে কুকর্মী হয়ে থাকে।

গাল- যে স্ত্রীলোকের গালে আঙুল দিলে গলে যায়, তার কথায় কখনও বিস্বাস করা যায় না।

কোমর- মোটা এবং ছোট কোমরযুক্ত স্ত্রীলোক হতভাগী, দাগাবাজ হয়ে থাকে।

বিশেষ জ্ঞাতব্যঃ- উপরোকত লক্ষণগুলির দ্বারা এটা চেনা সহজ হয়ে যায় যে, আপনার কাছে আসা পুরুষ বা স্ত্রী বাস্তবে নিজের কোন ভাল করতে চায় অথবা অন্যের খারাপ করতে চায়। যদি আপনি পরীক্ষা করে নেন যে, সে সম্পূর্ণ সৎভাবে ও সৎকাজের জন্য এসেছে, তার মধ্যে কোনও কুমতলব নেই, তাহলে যন্ত্র রচনা সার্থক হবে। যদি অল্প সন্দেহ হয়, তাহলে তার সঙ্গে কোন সহযোগ না করাই উচিত। তা না হলে তার কাজ করায় সাধকের পাপ হবে। আর সেই পাপের ফলভোগ করতে হবে সাধককে।

আজকের বিষয় টি মূলত লিখা হয়েছে তান্ত্রিক ও সাধকের জন্য। অনেক সময় অনেক ধরনের মানুষ আসে এই সকল কাজ করাতে। তাই খারাপ মানুষ চেনার জন্য এই নির্দেশিকা গুলো মেনে চললে হয়তো কোন তান্ত্রিক ও সাধকের দ্বারা কোন খারাপ কাজ সম্পন্ন করা হবে না বলে আমরা মনে করি। যদি কাহারো কোন রকম কাজ থাকে তাহলে আমাদের প্রতিষ্ঠান যেকোন কাজ করাতে সক্ষম বলে আমরা মনে করি কারণ আমাদের প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ১৯ জন তান্ত্রিক মহাদ্বয়ের সমন্বয়ে কাজ করা হয়। যদি আপনারা কোন টেনশন ও কোন অসাধ্য কাজ নিয়ে হতাস হয়ে শুধু ঘুরতেছেন আর ঘুরতেছেন তাহলে আমাদের সাথে শেয়ার করুন আপনার সমস্যাগুলো আমরা যথা সাধ্য চেষ্টা করবো আপনার সমস্যা সমাধানে। আপনার মনের কথা গুলো আমাদের জানাতে যোগাযেগা পেজে গিয়ে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।।