কবিরাজ বাড়ি

কবিরাজ বাড়ি ও গাছ-পালা বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারণাঃ

কবিরাজী হাকীমী এবং আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে শাক-সব্জী, লতা-পাতা ও ফল-ফলাদির বহুগুণাগুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অতি প্রাচীনকাল থেকে এগুলোর দ্বারা মানুষ অসুখ-বিসুখে উপকৃত হয়ে আসছে। হাকীম লোকমানও এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে অমর হয়ে রয়েছেন। তার বর্ণিত পদ্ধতিরিই আলোচনা হচ্ছে এই ওয়েব সাইটে।

বর্তমানে অনেকেই গাছ-গাছড়া চেনেন না, জানেন না। গাছ-গাছড়ার গুণাবলী সম্বন্ধে মানুষের পুঁথিগত বিদ্যা থাকতে পারে, কিন্তু গাছ-গাছ চেনা সম্বন্ধে মানুষের জ্ঞান খুবই নগণ্য। এ কারণে স্বদেশী ও বিদেশী দ্রব্যগুলোর নাম ও গুণাবলী সম্বর্কে জানা বিশেষ প্রয়োজন।

আমাদের এদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। সারা দেশেই ছড়িয়ে আছে নানান উপকারী গাছ-গাছড়া। বহুপ্রাচীনকাল থেকে এ সমস্ত গাছ, লতা, পাতা মানুষের বিভিন্ন রোগে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ অমূল্য সম্পদ বর্তমানে সমাদৃত হচ্ছে।

যে সব গাছ-গাছড়াকে আমরা জানিনা, চিনিনা তার গুণ- সেসব উপেক্ষিত গাছ-গাছড়া ও তার গুণাবলী আমাদের এ ওয়েব সাইটে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। যে কোন রোগে এসব গাছান্ত ঔষধ প্রয়োগ করা যেতে পারে। এর কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। এ ওয়েব সাইটে যে সব গাছ-গাছড়ার আলোচনা করা হয়েছে, সে গুলি সর্বত্রই পাওয়া যায়। আর এসবের দাম নাগালের মধ্যেই বা কোন কোন গাছ একটু চেষ্টা করলেই হাতের কাছে বা আশেপাশেই পাওয়া যায়। আজকাল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ঔষধ আবিষ্কার হওয়ার ফলে অনেকেই গাছান্ত ঔষধের আস্থা রাখতে পারেন না। এ ধারণা কোন ক্রমেই সঠিক নয়। কেননা অতীতকাল থেকে এর ফলাফল পরিক্ষিত হয়ে আসছে এবং তখন মানুষ এর দ্বারা উপকৃতও হয়েছিল এবং বর্তমানেও হচ্ছে সে অতীত ইতিহাস কারো অজানা নয়। আমাদের এই ওয়েব সাইটে মূলত বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক লোকমান হাকীমের পদ্ধতি অনুসরণে গাছ-গাছড়া, লতা, পাতার গুণাগুণের ধারাবাহিকতারই পর্যালোচনা। গাছান্ত চিকিৎসা তথা হাকীমী শাস্ত্রে তাঁর নির্দেশিত পদ্ধতিতে অর্থ্যাৎ তিনি যে সব গাছ, লতা-পাতা ইত্যাদি উপকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন সে গুলো এবং বর্তমানে আরও কিছু যা আবিষ্কৃত হয়েছে তার সবই আমাদের এই ওয়েব সাইটে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

বর্তমানে বাজারে গাছ-গাছড়ার গুণাগুণ সম্পর্কে অনেক নামি-দামী বই প্রচলিত আছে, তা সত্বেও আমাদের এই ওয়েব সাইট টি একটু ব্যতিক্রমধর্মী এবং যা পাঠকালে পাঠকের কাছে বিবেচিত হবে এবং অনেক অজানা কথা এর মাধ্যমে জানতে পারবেন। তখন আপনার মনে গাছান্ত ঔষধের প্রতি একটা আগ্রহ সৃষ্টি হবে, যা আপনি এতদিন উপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের এই ওয়েব সাইটে যে সব গাছ-পালার সাথে পরিচিত এবং বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় গাছের পাতা, ছাল, ফুল, শিকড় রস প্রভৃতি ব্যবহার করে উপকার পেয়েছেন- সেসব গাছ-পালার গুণাগুণ সম্পর্কেও বিশেষভাবে অনেক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

আমাদের এই ওয়েব সাইটে গাছ-পালার গুণাগুণ, ব্যবহার বিধি-বিধান যেমন বর্ণিত হয়েছে, ঠিক তেমনি তার সাথে রয়েছে চিত্র। ফলে, পাঠকের গাছ-গাছড়া চিনতে খুব একটা অসুবিধা না হওয়ারই কথা। এছাড়া রয়েছে, কোন রোগে কোন গাছ এবং তার শিকড়, গাছের ছাল, আঠা, বীজ ইত্যাদি কিভাবে ও কতটা পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে তারও রয়েছে বর্ণনা। এক কথায় বলা চলে গ্রন্থটি স্বয়ং সম্পূর্ণ।

আগের রতি, আনা, তোলায় যে মাপ ছিল, বর্তমানে তার পরিবর্তে মেট্রিক মাপ প্রবর্তন করা হয়েছে। সেজন্য এখানে এসব বিবরণ উল্লেখ করা হল।

আগে ছিলঃ-

৬ রতি=১ আনা।
১২ রতি=১ মাষা।

১৬ আনা=১ তোলা।

১ গ্রাম=৮ রতি।

এখন হয়েছেঃ-

৬ রতি বা ১ আনা=০.৭৫ গ্রাম।

১২ রতি বা ১ মাষা=১.৫০ গ্রাম।

১ সিকি=৩ গ্রাম।

১ রতি=১২৫ মিলিগ্রাম।
উপরোক্ত নিয়মেই রতি, আনা, তোলাকে বর্তমানের মাপ গ্রামে পরিবর্তিত করা যায়। আমরা মনে করি আমাদের এই ওয়েব সাইট টি পাঠ করে এদেশের মানুষ ও বিদেশের বাঙালী ভাই ও বন্ধুদের গাছান্ত চিকিৎসায় প্রচুর পরিমাণে উপকৃত হবেন এতে কোন সন্দেহ নাই।

বিঃদ্রঃ- আপনাদের যদি কোন ধরণের ঔষধি জিনিস পত্রের প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনারা অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন আমরা যথা সাধ্য চেষ্টা করবো আপনাকে সেই মূল্যবান জিনিসটি পৌঁছে দিতে। আমাদের এই আলোচনাগুলি আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং সকলকে সুস্থ থাকার জন্য সাহায্য করুন। ধন্যবাদ।।।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ} ***লজ্জাতুন নেছা বইটির বশীকরণ খন্ড টি ফ্রিতে পেতে চাইলে উপরের লেখা বা ছবিতে ক্লিক করুন ***