কুমারী মেয়েকে বশীকরণ করার কার্য্যকরী মন্ত্র ও পদ্ধতি

কুমারী মেয়েকে বশীকরণ করার কার্য্যকরী মন্ত্র ও পদ্ধতিঃ

বিবরণঃ- আপনি যে মেয়েকে ভালবাসেন যদি সে আপনার এলাকার বা পার্শ্ববতী বাসিন্দা হয়ে থাকে। তবেই আপনি এই কাজ টি করতে পারবেন। কারণ এই প্রয়োগটি করতে হলে অবশ্যই সেই রমণীর দিকে লক্ষ্য রাখিতে হবে। কারণ এই মন্ত্রটি প্রয়োগ করতে হলে, সেই রমণীর ঋতুস্নান পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

মন্ত্র ও প্রয়োগ বিধিঃ-

“”মহামান্বিত ধুলা পড়া মন্ত্রঃ

ধুল ধুল ধুল কামাখ্যা পথের ধুল।

কামাখ্যা মা দিল বার ধুলা হৈল ফুল।

এ ধুলা যাহাকে লাগে।

কুমতি তার অমতি ভাগে।

কামাখ্যার ধুলা ইহা অন্য কিছু নয়।

অমুকী এই ধুলায় তার বশীভূতা হয়।।

কার আজ্ঞে?

কামাখ্যা মায়ের আজ্ঞে।

এই ধুলা পড়া অমুকীকে শীঘ্র লাগাবে।

লাগ লাগ লাগ শীঘ্র লাগ।।””

প্রথম ঋতুস্নানের দিন যে স্ত্রীলোক স্নান করিয়া চলিয়া যাইবে সেই সময় যে স্থানে তাহার বামপদে পড়িয়াছে অলক্ষ্যে সেই স্নানের ধুলা লইয়া উল্লিখিত মন্ত্রে তিনবার অভিমন্ত্রিত করতঃ অলক্ষ্যে তাহার মস্তকের উপর নিক্ষেপ করিলে সে বশীভুতা হইয়া থাকে।  রমণী এমন বশিভূত হবেযে, সে আপনার সাথে মিলনের জন্য পাগল হয়ে যাবে। মন্ত্রে যেখানে অমুকি আছে সেখানে অবশ্যই আপনার প্রেমিকার নাম উল্লেখ করিতে  হইবে। উক্ত প্রয়োগের আগে অবশ্যই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করিতে হবে। কারণ এই মন্ত্রটি গুরু মন্ত্র তাই গুরুর অনুমতি নেয়া অবশ্যক। ধন্যবাদ।।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)