কোন প্রকার মন্ত্র ছাড়াই হিন্দু  বিবাহিতা নারিকে বিছানায় আনার উপায়!!

কোন প্রকার মন্ত্র ছাড়াই হিন্দু  বিবাহিতা নারিকে বিছানায় আনার উপায়!!

হ্যালো সুপ্রিয় ভিজিটরগণ, আজ আমি আপনাদের এমন একটি বশিকরন প্রয়োগ সম্পর্কে বলবো। যা অতি প্রাচীন কালের সর্বে সর্বা একটি বশিকরন প্রয়োগ। এই প্রয়োটির মাধ্যমে আপনারা অবশ্যই অনেক ফল পাবেন বলে আমি মনে করছি। তাই আপনারাও ট্রাই করে দেখতে পারেন। আর এই প্রয়োগটি আমরা উপস্থাপন করতেছি ১৮০৭ সালের প্রাচীন কোকা পন্ডিতের লজ্জাতুন নেছা বই থেকে, আশা করি এই প্রয়োগটি আপনাদের কাজে আসবে। আর আপনারা যাহারা এই বইটি পাওয়ার জন্যে মরিয়া হয়ে পড়েছেন কিন্তু কোথাও এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে না। ঠিক এমতা অবস্থায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এই বইটির জন্য, এই বইটি ছাড়াও আমাদের কাছে অনেক কলকাতা আসামের থেকে সংগ্রহকৃত বই রয়েছে সেগুলো আমাদের লজ্জাতুন নেছা বুক ষ্টল থেকে অতি সহজেই ক্রয় করতে পারবেন।। যাই হোক এখানে আজকের আলোচনার দিকে যাওয়া যাক, আপনারা হয়তো কেউ বা চিনেন আবার কেউবা নাও চিনতে পারেন, তাই আপনাদের উচিৎ হবে, আপনার দাদা বা আপনার এলাকার বয়স্ক লোকদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া। প্রথমে একটি কাঁসার পাত্র জোগাড় করবেন। তার উপর নিম্ন লিখিত যন্ত্রটি  জাফরান কালি দিয়ে আঁকতে হবে। আবার সেই পাত্রটিতে সরিষার তেল ভরে রেখে দিবেন। তারপর এই পাত্রটি এমন একটি জায়গায় রেখে দিবেন, যাতে আপনার উদ্দেশ্যরত ব্যক্তির সেখানে চোখ পড়ে, সেই ব্যক্তি কিংবা কোন বিবাহিতা রমণীও যদি সেখানে চোখ রাখে তাহলে সেই রমণীও আপনার বশিভূত হবে।।

যন্ত্রটি এইঃ-

বিঃদ্রঃ- উপরোক্ত যন্ত্রটি ব্যবহারের পূর্বে আপনাকে অবশ্যই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। ইহা ছাড়াও যদি আপনাদের এই প্রয়োগটি বুঝতে কোন রকম অসুবিধা বলে মনে হয় তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।। ধন্যবাদ।।।