টেলিপ্যথির সাম্যক বিষয় ‍গুলো জেনে নিন>>>

টেলিপ্যথির সাম্যক বিষয় ‍গুলো জেনে নিন>>>

আপনি টেলিপ্যাথির কথা নিশ্চই শুনেছেন, টেলিপ্যাথি হল মুখে কিছু না বলেই অন্যের মাইন্ডে ম্যাসেজ দেয়া বা অন্যের মাইন্ডকে রিড করা, এটা আমাদের মাইন্ডের এক সুপার পাওয়ার। ঠিক তেমনি আমাদের মাইন্ডের আরেকটি সুপার পাওয়ার হল টেলিকাইনেসিস, অর্থাৎ কোনো জিনিশ বা অবজেক্টকে ফিজিকালি না ছুয়েই তাকে তার জায়গা থেকে সরিয়ে ফেলা। সে যে কোনো জিনিশ হতে পারে, মাইন্ডের পাওয়ারকে ইউজ করে যেকোনো কিছুকেই সরিয়ে ফেলাকে বলা হয় টেলিকাইনেসিস।

এই পৃথিবিতে এমনও অনেক মানুশ আছে যারা এটা বিলিভ করে যে টেলিকাইনেসিস সম্ভব, আসলেই কোনো কিছুকে না ছুয়েও তাকে তার জায়গা থেকে সরিয়ে ফেলা যায়, বলা হয় যে যারা অনেক দিন ধরে মনোযোগ সহকারে মেডিটেশন করে আসছে একমাত্র তাদের কাছেই আছে মাইন্ডের এই সুপার পাওয়ার , যেমন অনেক মংকসরা, তারা এটা বিলিভ করে যে টেলিকাইনেসিস সম্ভব।
আমরা আমাদের ব্রেনের মাত্র দশ শতাংশকেই ব্যবহার করি, কিন্তু যে ব্যাক্তি তার ব্রেনের একশো শতাংশ ব্যাবহার করতে পারে তারাই পারে টেলিকাইনেসিসের শক্তিকে ব্যবহার করতে।
কিন্তু সাইন্স টেলিকাইনেসিসের উপরে বিশ্বাস করে না, সাইন্স এটা কখনই স্বীকার করেনা যে কোনো কিছুকে না ছুয়ে সেটাকে সরিয়ে ফেলা সম্ভব, না ছুয়েই কোনো অবজেক্টকে সরানা সম্ভব একমাত্র দুটি প্রকারে, এক হল ম্যাগনেটিক ফোর্স আর আরেকটি হল গ্রাভেটির ফোর্স। কিন্তু এই ইউনিভার্সে এমন অনেক কিছুই আছে যেগুলর উপরে সাইন্স বিশ্বাস করেনা, যেমন মানুশের আত্মা।
কিন্তু তার পরেও পৃথিবীর প্রচুর মানুশ মাইন্ডের এই শক্তির উপরে বিলিভ করে, কিন্তু সাইন্সের কথায় আমরা আমাদের মাইন্ডের ওয়েভের সাহাজ্যে কোনো অবজেক্টকে কন্ট্রোল করতে পারিনা, কিন্তু এমনও তো হতে পারে যে যারা দীর্ঘদিন থেকে মেডিটেশন করে তারা তাদের মাইন্ডের ওয়েভকে অনেক স্ট্রং করে ফেলেছে, আর সেটা এত স্ট্রং যে তার সাহায্যে আস্ত একটা প্লেনকেও সরিয়ে ফেলা সম্ভব।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}