টোটকা তন্ত্র

টোটকা তন্ত্রঃ

  1. কুলেখাড়া, আলাকুশী, শতমূলী, গোক্ষুর, গনিয়ারী, বেড়েলা ও ভূমিকুশ্মাণ্ড এই সকল দৃব্য সমপরিমাণে লইয়া চূর্ণ করত শুদ্ধ পাত্রে যত্নপূর্বক রাখিবে। যে ব্যক্তি রাত্রিকালে এই চূর্ণ দুগ্ধের সহিত সেবন করে, তাহার নান প্রকার ক্ষমতা জন্মে এবং সেই ব্যক্তি নারীগণকে ভুলাইতে পারে ও কন্দপোর ন্যায় রমণীগণের কামদপ চূর্ণ করিতে সক্ষম হয়।
  2. তিল মাসকলাই, ভূমিকুশ্মাণ্ড শালিতণ্ডুল ইহাদের চূর্ণ ইক্ষু রস ও সৈন্ধবলবণের সহিত মর্দ্দন করে ঘৃতে পাক করিয়া সেবন করিলে কামিনীগণের কামদর্প চূর্ণ করিতে পারা যায়।
  3. শতমুলী, মন্ডিরী গুলঞ্চ, হস্তিকর্ণপলাশের বাজ ও ভালমূলী চূর্ণ সমভাগে মিশাইয়া ঘৃত ও মধুসহ সেবন করিলে কামিনী বঞ্চক ও নারীগণের কামদপহারী হওয়া যায়।
  4. যদি স্ত্রীযোনী মধুর সহিত নিম্বকাষ্ঠ দ্বারা ধুপিত করা যায় তাহা হইলে সেই নারী সুভ্গা হয় এবং তাহার পতি চিরকাল তাহার দাস হইয়া থাকে।
  5. যে নারী খঞ্জনপক্ষীর মাংস মধুর সহিত পেষণ করিয়া প্রাতঃকালে যোনীতে লেপন করে, পুরুষ তাহার দাস হইয়া থাকে এবং কদাপি অন্য স্ত্রী বাঞ্ছা করে না।
  6. মহিষনবতীত, কুড় ও যষ্টিমধু একত্র পেষন করিয়া নারীর বরাঙ্গে লেপন করিলে পুরুষের কামদর্প চূর্ণ হয় এবং সে ব্যক্তি সেই নারীর দাস হইয়া থাকে।
  7. বামনহাটি, বচ ও কুড় সমানাংশে মধুর সহিত পিষিয়া যে অঙ্গে লেপন করে, স্ত্রী তাহাকে ভিন্ন অন্যকে কখনও পছন্দ করে না।
  8. যে ব্যক্তি রাত্রিকালে নিল শুরু বাম হস্তে ধারণ করিয়া কামিনীর বামচরণে লেপন করে। সে সেই কামিনীর অত্যন্ত প্র্রিয় হয়।
  9. সৈন্ধব লবণ, বিটলবণ, কাঞ্জিক এবং মৎস্যপিত্ত, মধু, ঘৃত ও চিনির সহিত মিশ্রিত করিয়া যোনিতে লেপন করিলে সেই স্ত্রীতে সে পুরুষ মেথুনাসক্ত হয়, সে কদাপি অন্য স্ত্রী বাঞ্ছা করে না।
  10. পিথরস, রক্তকম্বল, পিপুল ও যষ্টিমধু সমভাবে লইয়া মধুর সহিত একত্র পেষন পূর্বক যদি দম্পতি পরস্পর বরাঙ্গে লেপন করে। তাহা হইলে প্রাণান্তেও তাহাদের পরস্পর বিচ্ছেদ হয়না।
  11. বচ, নীলোৎপল, কুড়, মরিচ, অশ্বগন্ধা ও হরিদ্রা এই সকল দ্রব্য বাটিয়া যে রমনী বরাঙ্গে লেপন করেসেই নারী পুরুষের কামদর্প চূর্ন করিতে সমর্থ হয়ে এবং সেই ব্যক্তি তাহার আসক্ত হইয়া থাকে।
  12. গোক্ষুর কুলেখাড়া শতমূলী গোরক্ষু চাকুলে পীতবেড়েলা ইহাদের চূর্ণ চারি আনা যাত্রায় দুগ্ধসহ রাত্রে সেবন করিলে কামিনীগণের দর্পনাশ করিতে পারা যায়।
  13. শিমুলমূল চূর্ণ ও তালমুহী সমভাগে চারি আনা মাত্রায় দুগ্ধ ও মিশ্রীসহ সেবন করিলে পুরুষ নারীর কামদর্প চূর্ণ করিতে পারে।
  14. ভুমকুশ্মাণ্ড চূর্ণ ঘৃত ও দুগ্ধ ষজ্ঞডুমুরের রস একত্রে সেবন করিলে বৃদ্ধ ব্যক্তিত্ত যুবকের ন্যায় ক্ষমতাশালী হয়। যে ইহা সেবন করে রমনীরা তৎসকাশে কিঙ্করী স্বরুপা হয়।
  15. রবিবার বা মঙ্গলবার দিন অশ্বিনী নক্ষত্রে ঘোড়ার নখত্রে ঘোড়ার নখ আগুনে দিয়ে তার ধোঁয়া প্রেত বাধাগ্রস্ত ব্যক্তিকে শুকালে সে প্রেতবাধা থেকে মুক্তি পাবে।
  16. যদি কোন বালেকের নজর দোষ লাগে তবে তা কাটানোর জন্য রেঠা ফলকে ছিদ্র করে কালো সুতো দিয়ে মালা করে যে কোন মঙ্গল বার বা শনিবার দিন ঐ বালকের গলায় পরিয়ে দিলে তার নজর দোষ লাগা সেরে যাবে এবং ভবিষ্যতে আর নজর দোষ লাগবে না।
  17. বাঘের দাঁতের তাবিজ বানিয়ে গলায় পরলে হৃৎপিন্ড মজবুত হয় ।
  18. কোন ব্যক্তি বাঘের দাঁতের তাবিজ ধারন করলে কখনও দাঁতের কষ্ট ভোগ করে না।
  19. বাঘের মাথার চামড়ার টুকরো যদি কেউ নিজের কাছে রাখে তবে তাকে সকলেই ভয় এবং মান্য করে চলে।
  20. হাতির কানের ময়লা যদি কোন ব্যক্তিকে খাওয়ায়ে দেওয়া যায় তবে তার এক সপ্তাহ ঘুম আসবে না।
  21. হাতির মল যদি কোন স্ত্রী লোক তাবিজে ভরে গলায় বা হাতে ব্যবহার করে তবে সে গর্ভবতী হবে না।
  22. হাতির মল রুপোর তৈরী তাবিজে ভরে কোন বাচ্চার গলায় ধারন করলে তার কুনজর লাগবে না।
  23. ঘোড়ার লেজের চুল যদি কোন ঘরের দরজায় টাঙ্গিয়ে দেওয়া যায় তবে সেই ঘরে মশা ঢুকবে না।
  24. যে সব লোক রাতে ঘুমের ঘোরে দাঁত কিড়মির করে তার বিছানায় বালিশের নিচে ঘোড়ার দাঁত রেখে দিলে সে আর দাঁত কিড়মির করবে না।
  25. কেউ যদি খচ্চরের দাঁত সর্বদা নিজের পকেটে রাখে তবে পকেট কখনও খালি হবে না।