তন্ত্র সাধনা বা আধ্যাত্মিকতা

তন্ত্র সাধনা বা আধ্যাত্মিকতাঃ

অতি প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসা এই বিষয়টি এখনো অন্ধকারাছন্ন একটি রহস্য। কেনোনা কেউ একে মানেন না আবার কেউ কেউ এর উপর নির্ভর করেই জিবনের সব কাজ সম্পন্ন করে। এখন কথা হলো তন্ত্র বা মন্ত্র কিংবা আধ্যাত্মিকতা কি? এবং কিভাবে এটি কাজ করে? আজ আমরা তা জানবো। প্রথমে লক্ষ করা যাক তন্ত্র সাধনা কি? তন্ত্র সাধনা বা আধ্যাত্মিক সাধনা শরীর বা মনের এমন এক শক্তির প্রকাশ। যা এক সাধকের মনের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। যেমন হঠাৎ করে অনেক সম্পত্তির মালিক হয়ে যাওয়া বা কাউকে ধরা ছোঁয়া নাদিয়ে কারোর উপর প্রতিশোধ নেয়া ইত্যাদি। তবে এর জন্য কিছু নির্দিষ্ট শারিরিক শক্তির ধ্যান ও প্রাকৃতির শক্তির প্রয়োজন আছে। এবার আসা যাক কি উপায়ে তন্ত্র সাধনা করা যায়। যেহুতু এটি একটি ধ্যান সাধনার প্রকৃয়া তাই এর উপর কিছু ধর্মীয় রিতি নিতি ও সামান্য কিছু সংযমের প্রয়োজন পড়ে। উল্লেখিত প্রাকৃতিক শক্তি হিসেবে কথাকথিত দেবতা, জ্বীন, দৈত্য, দানব, প্রেত-আত্মা এবং বিভিন্ন ধরণের ভূত এর পূজা করা হয়। বলা হয়ে থাকে যে, যার পূজা করা হয়েছে, সে অতিপ্রাকৃত শক্তি ধ্যান কারীকে দেখা দিবে ও তার মনোষ্ককামনা পূরণ করবে। তবে এক্ষেত্রে সতর্কতা অনেক। কারণ ছোট খাট কোন ভুলের কারণে ধ্যান বা পূজা তো পন্ড হবেই। তার সাথে সাথে প্রাণ নাশের ও আশঙ্কা রয়েছে। তাই এধরনের পূজা বা ধ্যান সব ধরণের লোক করতে পারে না। শুধু তারাই করে তাকে যেসকল লোক সৃষ্টিকর্তার উপর জিবন বিপরন্ন করে দেয়। বেশির ভাগ এ সকল কাজ করে সাধু ও শন্নাশী ব্যক্তি বর্গ। এর একটি বিশেষ দিক হচ্ছে এ সাধনার উৎপত্তি ভালো কাজের জন্যে হলেও অসাধু ব্যক্তিদের কাছে এই ধ্যান বা পূজা বা সাধনা অন্ধকারাচ্ছই রয়েছে।
এবার আসা যাক তন্ত্র সাধনায় পূজা করা হয় এমন সেই অতিপ্রাকৃত শক্তি প্রসঙ্গে। এদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ভূত, জ্বীন, পিশাচ, বিছাশ্রেণী, প্রেত-আত্মা ইত্যাদি দেব দেবতা। এসব শক্তির সবার উপরে রয়েছে অপার শক্তি শালী ও বিশেষ ক্ষমতাময়ী হিন্দু ধর্মের এক দেবী। এই দেবীর বিভিন্ন রুপ থাকলেও দুই একটি রুপ ভালোর কাজে ব্যবহৃত হয় আর অনেক রুপই তার হিস্র। তিনি আর কেউ নয় তিনি হচ্ছে কালী দেবী। এই দেবীর দুই একটি রুপ বাদে প্রত্যেকটি রুপই ভয়ংকর। এই দেবী সাধনা সিদ্ধি লাভ কারীকে অপার শক্তি দিয়ে থাকেন। তাই এই দেবীর পূজা বা সাধনা ও খুব জটিল।
এর পরের তালিকায় রয়েছে আরেক দেব শীব, হিন্দু ধর্মের মতে তিনি প্রলয়ের দেবতা। তাই তার পূজা ও ধ্যানে ভালো মন্দ প্রায়ই দুই ধরণের কাজেই ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও রয়েছে দশ মহা বিদ্যা যারা প্রচন্ড শক্তিশালী।
এর পরেই রয়েছে ভূত, প্রেত-আত্মা ইত্যাদি।
বর্তমানে তন্ত্র সাধনা বলতে এদের সাধনাই বোঝায়, তবে দেবতাদের সাথে এদের পার্থক্য হলো এরা অপবিত্র অর্থাৎ এদের কাছে পাওয়া শক্তি মূলোত খারাপ কাজেই বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে ভালো কাজের সফলতার সম্ভবতা খুবই কম। এদের সাধনার প্রকৃয়া মোটামুটি খুব সহজ হওয়ায় তাই তন্ত্র সাধনায় এদের প্রয়োগ অনেক বেশি। কোন ভাবেই এদেরকে খুশি করতে পারলেই এরা তান্ত্রিকের বশ হয়ে যায়। এদের খাবার কিছুটা আশ্বচর্য্য হলেও কিন্তু তা অসম্ভব নয়। যেমন জীব হত্যা মাংস বিসর্জন রক্তের ফোঁটা বিসর্জন কুমারী হত্যা ইত্যাদি। বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই পরে এ বিষয়ে অনেক আলোচনা করা হবে। আশা করি আপনারা তন্ত্র সাধনার কিছু জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন বা বুঝতে পেরেছেন। বর্তমান বিশ্বে মানুষের পক্ষ্যে এই সকল সাধনা করতে অনেক কষ্ট হয়ে যায়। তাই এখন সবাই তৃতীয় নয়নকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরণের অসম্ভব কাজ হাসিল করছে। আর তৃতীয় নয়নকে জাগ্রত করতে আপনাকে অবশ্যই ত্রাটক সাধনা শিখতে হবে। ত্রাটক সাধনার মাধ্যমে আপনি অপার শক্তি অর্জন করতে পারবেন। ত্রাটক সাধনার ধ্যান ও খুবই সহজ। আমাদের লজ্জাতুন নেছা প্রতিষ্ঠান থেকে ও চাইলে ত্রাটক সাধনার কোর্চ টি গ্রহন করতে পারেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানে খুবই স্বল্প মূল্যে ত্রাটক সাধনা কোর্চ টি দেয়া হয়। যাহার মাধ্যমে আপনি আপনার উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবেন। আলোচনাটি ভালো লাগলে আপনার বন্ধদের কাছে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ