দেমাগী নারী বশীকরন মন্ত্র

দেমাগী নারী বশীকরন মন্ত্রঃ

বিবরণঃ আপনি যে মেয়ে কে ভালোবাসেন সে যদি অতি অহংকারী হয়, কিংবা আপনাকে তার যোগ্য বলে স্বীকার করে না। কোনভাবেই আপনাকে সে মেনে নেয় না। আপনাকে সারাক্ষন কষ্ট দেয়। কিংবা আপনার স্ত্রী ও যদি আপনাকে প্রাপ্য ভালবাসা থেকে বঞ্চিত রাখে। আপনাকে মোটেও ভালবাসে না। ঠিক এই মুহূর্তে আপনি এই প্রয়োগটি করতে পারেন। আবার অনেক সময় দেখা যায়, আপনার আশে পাশের প্রতিবেশী কোন বিত্তশালী বড়লোক মহিলা তার অর্থের অহংকারে সবার সাথে খারাপ আচরণ করে। আর আপনি যদি তাকে বশীকরণ করতে চান তবুও ‍নিম্নের মন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারবেন।। তবে অসৎ উদ্দেশ্য হতে বিরত থাকবেন।। ধন্যবাদ।

মন্ত্রঃ-

“ধুল ধৃল ধুল ধুলের রাণী

ওগো মোহিনী মনোরমা শুন মোর বাণী ।

পথেয় ধুলা নিলাম তিন আঙ্গুলে করে ।

যতনে পড়িলাম তাহা মহামায়ার বরে ।

আমার এই ধুলা পড়া দিলঅম অমুকের অঙ্গে

যে জন হাটে যায় অতি রঙ্গে ভঙ্গে ।।

কাড়িয়া তাহার মন যে জন আনিবে ।

আমার বশ্যতা সোস্বীকার করিবে ।

কার আঙ্গে?

কাউরের কামাখ্যা মায়ের আঙ্গা ।

 হাড়ির ঝি চন্ডীর আঙ্গে ।

অদ্ভুত ইন্দ্রজাল বা ডাকিনী মন্ত্র

এই ধুলা পড়া অমুকীকে শীঘ্র লাগগে ।

ঐশ্বর মহাদেবের পঞ্চ মুন্ডে ঠেকে ।”

যে নারীকে বশ করিবার ইচ্ছা হইবে সে যখন পথের ধুলার উপর দিয়ে চলিয়া যাইবে তখন তাহার বাম পদের বৃদ্ধাঙ্গুলীর মাথার ছাপ পড়িয়াছে,তথাকার ধুলা লইয়া উক্ত মন্ত্রে তিনবার অভিমন্ত্রিত করিয়া তাহার অগচরে সেই নারীর মস্তকে নিক্ষেপ করিলে সেই রমণী নারী আপনার বশীভূত হয়ে যাবে। তারপর আপনার মনের আশা পূরণ করতে পারবেন।। ধন্যবাদ।।

বিঃদ্রঃ- মন্ত্রে অমুক এর স্থলে সেই রমণী নারীর নাম উল্লেখ করতে হবে। উক্ত মন্ত্র ও প্রয়োগটি করতে হলে অবশ্যই কোন না কোন গুরুর অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোন ভাবেই এই মন্ত্র কাজ করবে না বা ফল দান করবে না। তাই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি গ্রহণ করুন। আর যদি কোন গুরুর অনুমতি পাওয়া না যায় তবে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।।