নারী বশ করার নজর বন্দি মন্ত্র

নারী বশ করার নজর বন্দি মন্ত্রঃ

আপনার পছন্দের নারীকে খুব ভালবাসেন? তাহলে তাকে এখুনি নজর বন্দি মন্ত্র দ্বারা বশিভুত করে ফেলুন তাহলে আপনাকে ব্যতিত আর অন্য কাউকে সে কখনো পছন্দ বা ভালবাসতে চাইবে না ও পারবেন না। এই মন্ত্রটি অতি সহজ ও সাবলীল তাই যে কেউ এই মন্ত্রটি প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। চলুন তাহলে মন্ত্রটি দেখে নেওয়া যাক…….

মন্ত্র যথাঃ-

“নজরে পড়ে আল্লাহ

এই মন্ত্র কইলাম আমি

সারাদিন আড়াই পরে।

ছার ছার ছার ফলনী

ভাই ছার বাপ ছার

পাড়ার প্রতিবেশী ছার

আমার ‍হও গলার হার

আমারে ছাড়িয়া যদি

অন্য দিকে চাও ফিরিয়া

দোহাই লাগে মোহাম্মদ

নবীর মস্তক ধরে খাও।”

মন্ত্র শিক্ষা করার নিয়মঃ শনিবার দিন ২ টার সময় মন্ত্র শিক্ষা আরম্ভ করিতে হইবে। যদি কোন স্থান হইতে বিয়ের পয়গাম আসে বা নিজের স্ত্রী কাথা না মানে, তবে শনিবার অথবা মঙ্গলবার দিন সূর্য পূর্ব দিকে থাকিতে একটি পান, কিছু সিন্দুর ও সরিষার তৈল লইয়া তিন পথের মধ্যে পূর্বে দিকে বসে সিন্দুর সরিষার তৈল গুলিয়া প্রথমতঃ বাম হাতের ছোট আঙ্গুলের মধ্যে সিন্দুরের ফোঁটা লাগাইয়া মাটির মধ্যে সিন্দুরের তিন ফোঁটা, তাহার পর ঐ ফোঁটার উপর পান রাখিয়া পানের উপর সিন্দুরের তিন ফোঁটা ও পানের উপর সুপারী বসাইয়া সুপারীর উপর তিন ফোঁটা দিতে হবে। মাটি, পান ও সুপারীর মধ্যে ফোঁটা দেওয়ার সময় উক্ত মন্ত্র পাঠ করিতে হইবে। ফোঁটা দেওয়া শেষ হইলে উক্ত পান সুপারীর উপর একটি সেজদা দিয়ে মন্ত্র জপ করিতে করিতে ঐ মেয়ের বাড়ি যাইতে হইবে। রাস্তায় কথা বলা নিষেধ। সেই বাড়িতে যাওয়ার পর সেই বাড়ির  কেহ বসিতে বলিলে বসিয়া খাওয়া দাওয়া ও কথা বলা যাইবে। সেই বাড়ির কেহ বসিতে বলিলে আল্লাহর রহমতে কাজ হইয়াছে বলিয়া মনে করিতে হইবে। তখন স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে যাইবে বলে কথা দিবে। আর বাড়ির সকল মানুষ স্বীকার করিবে যে আপনার সঙ্গে আত্মীয় জীবন ভর থাকিবে। খারাপ নিয়তে মন্ত্র খাটাইলে কোন প্রকার উপকার হইবে না।

(উক্ত প্রয়োগ টি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে। যদি কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি সংগ্রহ করতে না পারেন তাহলে অবশ্যই আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ সবাইকে)

{লজ্জাতুন নেছা, কোকা পন্ডিতের বৃহৎ ইন্দ্রজাল, তন্ত্র মন্ত্র এবং বশিকরনে কালা জাদু বই গুলি ফ্রিতে পেতে চাইলে নিচের লেখা বা ছবিতে ক্লিক করুন ও বই গুলি লুফে নিন ধন্যবাদ}