পরী সাধনা

পরী সাধনার সহজ উপায়ঃ

“প্রথমেই আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাচ্ছি তার কারণ আমাদের এই পোষ্টটির যে ছবিটি দেয়া হয়েছে আসলে সেই ছবিতে একটি মেয়ের ছবি দেওয়া হয়েছে। আসলে সে কিন্তু মানুষ সে কিন্তু পরী নয়।”

পরী সাধনা করার বিবরণঃ- যেকোন সাধনাই মানুষের দৃষ্টিতে যতটা সরল মনে হয় ততটা সরল নয়। সব সাধনার পিছনেই কিছু গোপনীয় তথ্য থাকে যার সঠিক প্রয়োগ হলে তবেই সিদ্ধি লাভ হয়। ভৌতিক সৌন্দর্য্য ও নারী উভয়ের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে পুরুষ সমাজের কাছে। এই সাধনায় সিদ্ধি লাভের দ্বারা সাধক এমন অনেক কিছুই করতে পারে যা বিস্ময়কর। এই সাধনাটি মাত্র ৯ দিনের। কোন শুভ মুহুর্তে এটি শুরু করে চলবে ৯ দিন পর্যন্তু। ৯ দিনের মাথায় পরী এসে সাধককে দেখা দেবে। পরীর আশ্চর্য্য রুপ ও যৌবন সাধককে চঞ্চল ও হতবাক করে দিতে পারে! তাই সাধককে এই ধৈর্য্য ও সাহসে ভর করে থাকতে হবে। পরী সাধককে দেখা দিয়ে তার মনকামনা জানতে চাইবে। সাধক যদি এই সময়ে সংযম না রাখতে পারে তাহলে তার এতোদিনের সাধনা নিস্ফল হবে এবং তার ভয়ানক ক্ষতি হবে। এই সময়ে সাধক পরীর গলায় গোলাপ ফুলের মালা দেবে। পরী মালা স্বীকার করলে সাধকের বশীভূত হবে এবং সাধকের আদেশ অনুযায়ী কাজ করবে। অতএব মন ঠিক রেখে, ধৈর্য্যশীল থেকে সাধনার কাজ সাধকে করতে হবে।

সাধনার নিয়মঃ

সাধক শুদ্ধ জলে স্নাস করে, জালীদার টুপি পরে কোন শুক্রবার রাত ১১ টায় নিজের কোন একান্ত ঘরে সবুজ রঙের আসনে নামাজ পড়ার মুদ্রায় বসে পুরো শরীর হিনা সুগন্ধি লাগিয়ে বসে সামনে তামার পাতে আঁকা যন্ত্রকে স্থাপন করবে। লোবানের ধূনী জ্বালিয়ে তসবী মালা দিয়ে মন্ত্র জপ করতে হবে। মন্ত্র ও যন্ত্র নিচে দেওয়া হলোঃ-

মন্ত্রঃ- “ওঁম নমো বিস্মিল্লাহি রহিমান রব্বে ইন্নী মঙ্গল ফন্তসীর”

যন্ত্রঃ-

বিঃদ্রঃ- এই সাধনাটি করতে চাইলে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগের মাধ্যমে আপনাকে আরোও অনেক কিছু নিয়ম কানুন জানিয়ে দেয়া হবে। ধন্যবাদ।।।