যেকোন পুরুষ বা প্রেমিককে বশিভূত করে মিলন করুন

যেকোন পুরুষ বা প্রেমিককে বশিভূত করে মিলন করার মন্ত্রঃ

আপনি যে মানুষটিকে প্রচন্ড ভালবাসেন কিন্তু সে যদি আপনার ভালবাসা প্রত্যাখান করে দেয়, তাহলেই আপনি এই মন্ত্র ও প্রয়োগটি ব্যবহার করতে পারবেন। আবার দেখা যায় অনেকের পরিবারে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা কেন জানি সাপ আর বেজির মতো হয়েগেছে। ঠিক তখনি এই মন্ত্রটিও ব্যবহার করা প্রযোজ্য। তবে আপনি যদি কোন প্রেমিক বা পুরুষকে বশ করতে এই মন্ত্রটি প্রয়োগ করতে চান তাহলে অবশ্যই তাকে সারাজিবনের জন্য জিবন সঙ্গী বানাতেই এই মন্ত্রটি প্রয়োগ করুন।

পুরুষ বশীকরণ সিঁদুর পড়াঃ

““সিঁদুর সিঁদুর সিঁদুর পাতি।

কামাখ্যা পর্বতে তোমার উৎপত্তি।

আমার এই সিঁদুর পড়া-

অমুকের কপালে দিলে ফোটা।

অমুক হয় বোকা পাটা।

হরসিদ্ধান্ত গুরুর পা।

কামরুপ কামিক্ষে মা।

হাড়ির ঝি চণ্ডীর আজ্ঞে।

আমার এই সিঁদুর পড়া অমুককে শীঘ্র লাগগে।

আমার এই সিঁদুর পড়া যদি লঙ্ঘে-

ঈশ্বর মহাদেব পঞ্চমুণ্ডের বামপথে ঠেকে।।””

এই মন্ত্রে ব্যাঙের মাথায় সিঁদুর তিনবার অভিমন্ত্রিত করিয়া সাধ্বী স্ত্রী নিজ কপালে ফোটা কাটিলে তাহার স্বামী বশীভূত হইয়া থাকিবে। উক্ত মন্ত্রের যেখানে অমুকের লেখা আছে সেখানে আপনার নাম ও যেখানে অমুক আছে সেখানে আপনার স্বামী বা উদ্দেশ্য রত পুরুষের নাম উচ্চারণ করিতে  হইবে। এই মন্ত্রটি গুরু মন্ত্র তাই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে। অনুমতির জন্য যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)

{লজ্জাতুন নেছা, কোকা পন্ডিতের বৃহৎ ইন্দ্রজাল, তন্ত্র মন্ত্র এবং বশিকরনে কালা জাদু বই গুলি ফ্রিতে পেতে চাইলে নিচের লেখা বা ছবিতে ক্লিক করুন ও বই গুলি লুফে নিন ধন্যবাদ}