প্রেমিকাকে বশিভূত করে বিছানায় আনুন

প্রেমিকাকে বশিভূত করে বিছানায় আনুন মিলনের জন্যেঃ

বিবরণঃ- আপনি যাকে ভালবাসেন, সে যদি আপনার সাথে ভালবাসার অভিনয় করে, তাহলে আপনি কি করবেন, সঠিক কোন উপায় বা চিন্তা না পেয়ে, চিন্তায় ধ্যানে বসে মগ্ন হয়ে আছেন। ঠিক এমতাবস্থায় আমরাই আপনাকে কিছু সহজ উপায় দিতে পারি। আর যে উপায়টি অতি ফলদায়ক ও সহজ সাধ্য ব্যপার। তাই আপনারা উক্ত প্রয়োগটি ব্যবহার করতে অপেক্ষা করবেন না। এই প্রয়োগের মাধ্যমে আপনার প্রেমিকা বা আপনার মন পছন্দ নারী আপনার বাধ্যতা স্বীকার করবে। আপনি তাকে যা কিছু করতে বলবেন সে তাই করতে রাজি ও খুশি থাকবে। তবে খারাপ উদ্দেশ্যে এই প্রয়োগটি করবেন না। যদি করে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি পাপী হবেন।। তাই শুধুমাত্র জিবনের প্রয়োজনেই এই প্রয়োগটি ব্যবহার করি সবাই।

ফুল পড়া মন্ত্রঃ

““ফুলের ঝাড়, ফুলের হার,

ফুলের সাতনলী

অমুকীকে না দেখলে অমুকী ভাঙ্গে দ্বার ।

খিল ভাঙ্গে দুয়ার ভাঙ্গে আর ভাঙ্গে ।

অমুককে দেখতে না পেলে অমুকী শঙ্খচিল,

আকাশেতে চন্দ্র র্সূয খসিয়া পড়িল ।

পাতালে বাসুকির মাথায় ডাঙ্গস মারিল ।

কার আঙ্গে?

বড় বাবা ধর্মের আঙ্গে ।

শীঘ্র লাগ শীঘ্র লাগ শীঘ্র লাগ ।””

একটি নাগেশ্বর ফল লইয়া উক্ত মন্ত্রে ‍তিনবার অভিমন্ত্রিত করিয়া যে স্ত্রী লোকের হাতে প্রদান করা যাইবে সে তৎক্ষণাৎ মুগ্ধা ও বশীভূত হইয়া তাহার প্রনয় লালসায় ক্ষিপ্রবৎ হইতে থাকিবে । এমন বশিভুত হইবে যে, আপনাকে ছাড়া আর কখনো কারোর দিকে তাকাবে না।। শুধু মাত্র আপনার কথাই তার মাথায় কড়া নাড়বে। ধন্যবাদ।।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)