ব্যবসায় উন্নতির জন্য কর্মচারী বশীকরণ

ব্যবসায় উন্নতির জন্য কর্মচারী বশীকরণঃ

বিবরণঃ আজকে আমি একটি খুবই ‍গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ভিজিটরদের উদ্দেশ্যই আমাদের আজকে এই আলোচনা। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আমাদের ওয়েব সাইটে প্রায় প্রতিদিন কম পক্ষ্যে ৩-৪ হাজার ভিজিটরদের আনাগোনা সবই আপনাদের সহযোগীতায়। তাই আমরা ভেবে দেখলাম এখানে তো বিভিন্ন ধরণের মানুষ আনাগোনা করে থাকে। তাদের ভিতরে কি কোন ব্যবসায়ীক বা কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক নেই যারা প্রতিদিন কয়েক হাজার শ্রমিক ও মজুর দিয়ে নিজের কর্মকান্ডের ভিতর জড়িয়ে রেখেছে। আর এসকল মানুষের সহযোগীতা ও কর্মমোঠ পরিশ্রমের ফলে তারা লাভবান ও সমাজের অনেক উঁচু ফ্যামেলীতে রুপ ধারণ করেছে। ঠিক সে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস কারখানার মালিকদের উদ্দেশ্যেই আমাদের আজকের এই আলোচনা।

আপনারা হয়তো কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে একটু হোঁছট খেয়ে পড়েছেন। কিংবা আপনাদের ব্যবসা কিছু দিন চলার পরে আবার সেটা নিম্ন পদে পরিনত হয়েছে। অথবা আপনার ব্যবসার বা কারখানার শ্রমিক বা মজুরগন আপনার সাথে ঠিক মতো কমুনিকেশন করতে পারছেন না। আপনার আচরনের কারনে তারা কি খুশি আছে কিনা তা আপনি বুঝতে পারছেন না। তাদের মনটা আপনি কোনভাবেই বশ করে রাখতে পারছেন না। তারা কি আপনাকে ‍ভুল বুঝে অন্যকোন ফ্যক্টরীতে গোপনে গোপনে পালিয়ে যাওয়ার প্লান করছে। কিংবা আপনার অফিসের সকল লোকজনদেরকে ভুল পথে যাওয়ার উপায় খুঁজে দিচ্ছে। তাদের এসকল ধোকামীর কারনে আপনার ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। আপনার অর্ডারের সময় মতো বায়ারদের কাজ জমা দিতে পারছেন না। অথচ আপনার পাশের অফিসের বা প্রতিষ্ঠানটি কিছু দিন পূর্বে চালু করেই আপনাকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেছে। তাদের কাছে আপনার প্রতিষ্ঠান কিছুতেই পেরে উঠতেছেনা।

একটা প্রতিষ্ঠান কে বেঁচে বা টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হলো জনবল ও একত্ববোধ তাই এসব ঠিক ঠাক রাখতে আপনাকে অবশ্যই আপনার শ্রমিকদের পাশে আপনাকে থাকতে হবে ও তাদের সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে। তারপর মিলেমিশে কাজ পরিচালনা করতে হবে। আর যদি আপনার কথায় তারা কিছুতেই রাজি না হয় আপনার বিরুদ্ধে তারা যাওয়ার জন্য প্লান করে সারাক্ষাণ ঠিক সেই মুহূর্তে আপনি আমাদের নিম্নলিখিত প্রয়োগ সঠিক ভাবে করতে পারবেন। বিশেষ করে নিচের প্রয়োগ করতে পারবেন আপনার ব্যবসা-বাণিজ্যে, প্রতিষ্ঠান, অফিস এবং যেকোন ছোট হোক বড় হোক কারখানার শ্রমিকদের উপর এই বশীকরণ প্রয়োগ টি ব্যবহার করুন। তাহলেই আপনার ব্যবসার উন্নতি হবে ও ব্যবসায় শান্তি ফিরে আসবে।

সব সময় মনে রাখবেন ***সুষ্ঠ শ্রম সফল রাস্তার আলোর দিশারী***

নিচে মন্ত্র ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে আলোচনা করা হলোঃ-

সামগ্রী- এক হাত পরিমাণ জোড়ী (মন্ত্র সিদ্ধ চৈতন্য), একশ গ্রাম সিন্দুর।

মালা- হকীক মালা।

সময়- রাতের যেকোন সময়।

দিন- শুক্রবার।
আসন– সাদা সুতির আসন।
দিক– পশ্চিম।
জপ সংখ্যা– ৩,০০০।

অবধি– তিন দিন।

মন্ত্র- “ওঁ নমো হীংকারো মম সেবয় বশ্য কুরু করু স্বাহা।।”

প্রয়োগঃ- এর প্রয়োগ যে কোন শুক্রবার , রাতের যে কোন সময় শুরু করা যায়। এটি কেবলমাত্র তিন দিনের প্রয়োগ। রোগ এক হাজার মন্ত্র জপ করতে হয়। মন্ত্র জপের আগে একহাত জোড়ীর নিচে কিছু সিন্দুর রাখতে হবে এবং এই মন্ত্র জপ যখন শেষ হয়ে যাবে তখন ঐ সিন্দুর কর্মচারী বা চাকরের পরিধেয় কাপড়ে অল্প একটু লাগিয়ে দিতে হবে বা তার মাথায় দিয়ে দিতে হবে। এরুপ করলে সে বশীভূত হয়ে যাবে এবং মালিকের নির্দেশানুসারে কাজ করবে। চাকর বা কর্মচারী বশীকরণ হেতু এটি একটি শক্তিশালী প্রয়োগ বলে মনে করা হয়।

এর প্রয়োগ তখনই করা যায় চাকর, কর্মচারী মালিকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে অথবা তাঁর কথা না মানে বা বারবার চাকরী ছেড়ে যাবার কথা বলে। তখনই এর প্রয়োগ করা দরকার। তাহলে সে মালিকের আজ্ঞা পালন করবে। এতে প্রযুক্ত একহাত জোড়ী আসল হওয়াই চাই এবং মন্ত্রসিদ্ধ চৈতন্য হওয়া চাই। তবেই কাজ হবে।

বিঃদ্রঃ- আমাদের এই প্রয়োগটি কাজে লাগানোর আগে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিতে হবে। তারপর প্রয়োগটি ব্যবহার করুন। তাহলেই কাজ করবে। আর যদি কোন সিদ্ধ গুরুর খোঁজ বা দেখা না পান তাহলে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}