ভুঁই-আমলা গাছের উপকারীতা

ভুঁই-আমলার পাতা ও শিকড়ের অনেক উপকারীতাঃ

ভুঁই-আমলা বর্ষজীবী এবং গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। খুব, ছোট, লম্বায় আট ইঞ্চির মতো বাড়ে। গাছের ডাল খাড়াভাবে বের হয়। ওপরের শাখা শিরাযুক্ত ও নরম লোম থাকে। ফুলের আকার ছোট এবং গোলাকার।

বিভিন্ন রোগে ব্যবহার করা যায় এই ভুঁই-আমলাঃ

হিক্কাঃ শ্বাসেঃ ভুঁই-আমলা গাছের মুলের রস চার চামচ এবং চিনি এক চামচ মিশিয়ে খেলে উপশম হয়।

অবিরাম জ্বর ও লিভার বৃদ্ধিতেঃ ভুঁই-আমলা গাছের পাতা এবং বীজ বেটে এক গ্রাম পরিমাণ খাওয়ালে রোগী সাতদিনে আরোগ্য লাভ করবে।

শরীরের বল বাড়াতেঃ ভুঁই-আমলা গাছের পাতা ও শিকড়ের রস একটি উৎকৃষ্ট বলকারক ঔষধ। তবে নিয়মিত খাওয়া দরকার। রোগ দুপুরে ভাত খাবার পর ২ থেকে ৩ চামচ পরিমাণ খেতে হবে।

হাড় ভাঙ্গার যন্ত্রণাঃ শরীরের যে কোন অঙ্গের হাড় ভেঙ্গে গেলে ভুঁই-আমলা গাছের পাতা রসে লবণ মিশিয়ে ভাঙ্গা জায়গায় প্রলেপ দিলে যন্ত্রণার উপশম হয়।

দুর্গন্ধযুক্ত ঘাঃ ভুঁই-আমলাগাছের সাদা আঠা ক্ষতে দিলে অবশ্যই ঘা সারবে। এটি ক্ষতের জন্য বিখ্যাত একটি ঔষধ।

চক্ষু রোগেঃ চোখ ওঠা, কোছ ফোলা এবং চোখে পিঁচুটি জলা ইত্যাদি রোগে ভুঁই-আমলাগাছের মূল, কাঁজি ও সৈন্ধব লবনসহ তামার পাত্রে ঘষে ঘন হলে চোখের পাতার দু’দিন প্রলেপ দিতে হবে।

আমাশয় ও উদরাময়েঃ ভুঁই-আমলা গাছের কচি পাতার রস দশ চামচ পরিমাণ রোজ দু’বার (সকাল এবং সন্ধ্যায়) খেলে উভয় রোগ দূর হয়।

ক্ষত, ঘা এবং নখকুনি হলেঃ ভুঁই-আমলা গাছের পাতা ও শিকড় চাল ধোয়া পানির সাথে বেটে প্রলেপ দিলে এ তিনটি রোগের উপশম হয়।

কামলা রোগেঃ ভুঁই-আমলার টাট্‌কা শিকড়ের রস ১০ মি.লি. এক কাপ গরুর দুধের সাথে মিশিয়ে কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় খেলে কামলা রোগের উপশম হয়।