মন্ত্র

মন্ত্রঃ

নিম্নলিখিত মন্ত্র গুলি প্রয়োগের পূর্বে প্রথমে আপনাদের গুরুর অনুমতি নিতে হবে ও পরে জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে কারন প্রতিটি মন্ত্র প্রথমে নিসক্রিয় অবস্থায় থাকে তাই নিসক্রিয় মন্ত্র দিয়ে কোন কাজ হয় না। তাই সিদ্ধ করা অবশ্যক। তারপর কাজে লাগাতে হবে।

মেয়ে বশিকরণ মন্ত্রঃ

নিম্নলিখিত মন্ত্রটি ১০০৮ বার জপ করে নিতে হবে। তবেই এ মন্ত্রটি সিদ্ধ হবে। মন্ত্রটি যে রমণী মেয়ের উপর প্রয়োগ করবেন তার অবশ্যই পুরো নাম আপনাকে জানতে হবে। তবেই কাজ সম্পন্ন হবে।

মন্ত্র যথাঃ- “অচল ঘাটের নিশ্চল পানি, তাহার উপজিত কালের বাঘিনী, কালের বাঘিনী বলেন তোরে, অমুকের পাঁচ আত্তা পাঁচ প্রান আনিয়াদে মোরে, মাছের পিত্ত, হরিণীর পিত্ত তৈল করিয়া পোরাইম অমুকের পাঁচ চিত্ত।”

বশীকরণ প্রভাবশালী মন্ত্রঃ

এক তেল দুই তেল

তিন তেল লড়ে চড়ে,

অমুকের হাসি পাও পড়ে

মা কালী দিলে বর,

অমুকের সাথে জোড়া কর।

বিধিঃ এই মন্ত্র তেলে ফুঁ দিয়ে যাকে বশ করার ইচ্ছে অতি কৌশলে তার মাথায় লাগিয়ে দিতে হবে।

শস্ত্র স্তম্ভন মন্ত্রঃ

মন্ত্র-“ওঁ অহো কুম্ভকর্ণ মহারাক্ষস নিকষাগর্ভসম্ভুত পরসৈন্য স্তম্ভন মাহভয় রণরুদ্র আজ্ঞাপয় স্বাহা।”

গৃহীত্বা শুভ নক্ষত্রে অপামার্গস্য মূল কং।

লেপমাত্রে শরীরাণাং সর্বশাস্ত্র নিবারণম্।।

প্রথমে উপরোক্ত মন্ত্র হাজার আটবার নির্জনে বসে জপ করে সিদ্ধ হতে হবে। তারপর যে কোন শুভবার, শুভতিথি ও শুভনক্ষত্রে অপামার্গের (আপাং) মূল তুলে পেষণ করে গাত্রে লেপন করলে শস্ত্র স্তম্ভন হয়।

বিদ্বেষণ মন্ত্রঃ

মন্ত্র-“ওঁ নমো মহা ভৈরবায় শ্মশানবাসিন্যৈ অমুকামুকয়োর্বিদ্বেষং কুরু কুরু স্বাহা।”

প্রথমে উক্ত মন্ত্র জপ করে সিদ্ধ হয়ে নিতে হয়, একহাজার আটবার জপ করা নিয়ম।

তারপর-

বিড়াল ও ইঁদুরের বিষ্ঠা একত্রে মিশিয়ে তা দিয়ে একটি পুতুল তৈরী করবে। তারপর সেই পুতুলকে নীলবস্ত্র দ্বারা জড়িয়ে, যাদের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করবে, সেই লোকদের নাম উল্লেখ করে উপরোক্ত মন্ত্র একশত আটবার জপ করবে। এই ক্রিয়ার ফলে, ভাই ভাইয়ের পিতা-পুত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও বিদ্বেষ উৎপন্ন হয়।

বিপদের ধুলা পড়া মন্ত্রঃ

ধলা ধুলা

ডাহা ধুলা,

ডাহার ধুল

হাতে উঠলো,

এই ধুল

কে পড়লো,

গুরু পড়ে

গুরু গিয়া মাই পড়ে।

দোহাইরে গোসাই

দোহাই পড়ে।

প্রয়োগ বিধিঃ- খারাপ আবহাওয়ার সময় ধুলিতে এই মন্ত্র পড়ে শরীরে লাগিয়ে দিয়ে বিপদের কোন আশঙ্কা থাকবেনা।