মাত্র ১ বার এই মন্ত্র পাঠ করে যেকোন নারী পুরুষ বশীকরণ করুনঃ

মাত্র ১ বার এই মন্ত্র পাঠ করে যেকোন নারী পুরুষ বশীকরণঃ

সুপ্রিয় ভিজিটরগণ আজকে আমি আপনাদের বলবো কিভাবে মাত্র একবার এই মন্ত্র পাঠ করেই যেকোন নারী বা পুরুষকে বশীভূত করা যায়। আপনারা অনেকেই বলেন যে, এত বেশি বেশি মন্ত্র পাঠ না করে কম সংখ্যা বা কম সময় পাঠ করে কি কোন মন্ত্র কাজ করে না। কম সংখ্যায় মন্ত্র পাঠে কি কোন কার্য সিদ্ধি হবে না। হ্যা যায় অবশ্যই। তবে সেই মন্ত্র গুলি অবশ্যই সিদ্ধ হতে হবে। যদি আপনি কোন সিদ্ধ মন্ত্র সামান্য সংখ্যায় জপ করেন তাহলে সেই মন্ত্র দ্বারা কাজ হবে ও আপনি সফল হবেন। আজ ঠিক সেই রকমই একটি মন্ত্র আপনাদের সামনে আমি নিয়ে  এসেছি। আপনারা এর সঠিক প্রয়োগ করবেন। কেউ খারাপ কাজে ব্যবহার চেষ্টা করবেন না। তো চলুন মন্ত্রটি ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।।।

মন্ত্র যথাঃ-

“বিস্‌মিল্লাহির রহমানির রহিম।

কালী কালী মহা কালী-

ভদ্র কালী স্মশান কালী;

পাতাল কালী যক্ষিণী সাপিনী-

রক্ত কালী মহা রমণী!

তোর নামি ডাকি তারে-

অমুক আয় মোর নিরে;

সূর্যের কপাটে দিয়ে রুটে-

অমুকের বেটি আয় ছুটে!

বাক্যের দাপটে বাক্য লড়ে-

বাক্য যদি লড়ে চড়ে;

দোহাই কামাখ্যা মায়ের-

যুনির জল মহাদেবের মুখে পড়ে।”

প্রয়োগ বিধিঃ- উপরোক্ত মন্ত্রটি একবার পাঠ করেই আপনি এই বশীকরণের কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন। এই মন্ত্রটি ব্যবহার করতে হলে, আপনাকে পানির মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে। শুক্রবার অথবা রবিবার দিন, আপনার এলাকার যেকোন বাড়ি থেকে, সাতটি টিউবওয়েলের একটু একটু করে পানি নিবেন এক গ্লাস পরিমান। তারপর একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি পরিষ্কার পরিছন্ন স্থানে মন্ত্রটি মুখস্থ করবেন। তারপর লোক বিহীন ঘরে বসে তিনটি আগর বাতি জ্বালিয়ে পানির গ্লাসটি সামনে রেখে উপরোক্ত মন্ত্র শুধু মাত্র একবার পাঠ করবেন। তারপর পানির গ্লাসে তিনটি ফুঁ দিবেন। তারপর সেই গ্লাসের পানি কোন ভাবেই যদি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার মাথায় ছিঁটিয়ে দিতে পারেন তাহলে কাজ শেষ, আর যদি কোন ভাবে খাইয়ে দিতে পারেন তাহলে ফল আরো দ্রুত পাবেন।

বিঃদ্রঃ- মন্ত্রের মাঝে অমুক এর স্থানে আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার নাম। আর অমুকের বেটি এর স্থানে প্রেমিকার মায়ের নাম । তবে আপনি যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অমুকের বেটি এর স্থানে প্রেমিকার মায়ের লিখবেন। আর যদি আপনি মেয়ে লোক হয়ে থাকেন সে ক্ষেত্রে অমুকের বেটি এর স্থানে বলবেন অমুকের বেটা মানে প্রেমিকার বাবার নাম পরে বেটা উচ্চারণ করতে হবে। এই মন্ত্র টি প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিতে হবে। তারপর কাজ করতে হবে। অথবা যদি কোন গুরুর অনুমতি নিতে কষ্ট সাধ্য হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।।।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}