মারন

মারণঃ

মারণ অর্থে কাহাকেও মারিয়া ফেলা। শাস্ত্রোক্ত এই গুপ্তবিদ্যা সাধন করিতে হইলে উপযুক্ত গুরু প্রয়োজন। গুরু সন্নিধানে এই বিদ্যা আয়ত্ত করিতে হ্য়। গুরুর আদেশ নির্দেশ ও উপদেশক্রমে প্রক্রিয়া ও মন্ত্র ব্যবহার না করিলে তাহা ফলপ্রদ হয় না। সাধককে সংযমী হইয়া নিষ্ঠার সহিত এ কার্য্যে ব্রহী হইতে হইবে। একাত্মতা ও একাগ্রতা না থাকিলে এই প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হওয়া উচিত নহে।

বংশ নাশ করাঃ

পুষ্যানক্ষত্রে মানুষের অস্থি দ্বারা চারি অঙ্গুলি পরিমাণ একটি কীলক প্রস্তুত করিবে। অতঃপর নিম্নমন্ত্রে সাতবার অভিমন্ত্রিত করিয়া সেই কীলক যাহার গৃহে পুঁতিয়া রাখিবে তাহার বংশনাশ হইবে।

মন্ত্রঃ-“ওঁ পুং ভুং ভুং ফট্ স্বাহা।।”

বংশের প্রদীপ নিভে দেওয়াঃ

অশ্লেষানক্ষত্রে এক অঙ্গুল পরিমাণ বিষধর সর্পের অস্থি সংগ্রহ করতঃ নিম্নমন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করিয়া ঐ অস্থি যদি সকলের অলক্ষ্যে কাহারও গৃহে পুঁতিয়া দেওয়া যায় তাহা হইলে সেই ব্যক্তির বংশনাশ হয়। মন্ত্রমধ্যস্থ ‘অমুকং’ স্থলে উক্ত ব্যক্তির নামোল্লেখ করিতে হইবে।

মন্ত্রঃ-“ওঁ হুন হুন খং খঃ অমুকং নাশয় হ্রীং করালবদনী চামুন্ডায়ৈ স্বাহা।।”