মেয়ে ভুলানো পানি পড়া মন্ত্র

মেয়ে ভুলানো পানি পড়া মন্ত্রঃ

লজ্জাতুন নেছা.কম এর পক্ষ্য থেকে আপনাকে অভিনন্দন। এমনো হচ্ছে কেউ কেউ একটি মেয়ের পিছনে দীর্ঘ সময় ধরে মনে মনে ভালবেসে যাচ্ছে কিন্তু কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর সেই মেয়েটিকে সে বলতে পারেনি যে, তাকে সে কতখানি মন থেকে ভালবাসে। তাই এরকম না করে এত সময় ধরে অপেক্ষা না করে আজই নিম্ন লিখিত মন্ত্রটি প্রয়োগ করুন তাহলে সেই মেয়েটি নিজে থেকেই আপনাকে ভালবাসবে ও তার মনের কথাটি আপনাকেই সে আগে শেয়ার করবে তাহলে চলুন তাহলে মন্ত্রটি ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

মন্ত্র যথাঃ-

“রবি উঠে ধবধবাইয়া

মখে ফাঁকা তুড়া

ফলনীর পাঁচ আত্মা

পাঁচ পরাণ খাইলাম

শুষ জালি কুমড়া।

বুকে খাইলাম চুষে,

পিঠে খাইলাম চুষে,

পাঁচ আত্মা পাঁচ পরাণ

খাইলাম কষে

ফলনারে না দেখলে

ফলনীর প্রাণ শুষে,

শুষক প্রাণ কুষুক মন

যেবত না দেখে ফলনার প্রাণ

কার আইজ্ঞা

হারির আইজ্ঞা

গুরুর পাও

সিদ্দীকী কর

কাইলকা চন্ডির মাও।”

নিয়মঃ শুক্রবার সারাদিন পর রাত ৮ টার সময় তে-পথে একা একা বসে মন্ত্রটি মুখস্ত করিতে হইবে। একদিনে যদি মুখস্ত করা সম্ভব না হয়, তবে অন্যদিন ঠিক ঐ সময় মুখস্ত করিতে হইবে।

মন্ত্রটি কাজে খাটানোর নিয়মঃ শনিবার অথবা মঙ্গলবার দিন নতুন পাতিলে করে পূর্ব দিকে মুখ করে শ্বাস বন্ধ করে নদীর পাকের পানি উঠাইয়া আনিতে হইবে। যে বারে পানি আনিবে সেই বারে ঐ পানি লইয়া সূর্য উদয়ের সময়। পুকুরে নাভী পানিতে নামিয়া সূর্যের দিকে অর্থাৎ পূর্ব দিকে মুখ করে দাঁড়াইয়া মন্ত্রটি মনে মনে শ্বাস বন্ধ করে তিন দফা পাঠ করে উক্ত পাতিলের পানি মধ্যে তিনটি ফুঁক দিকে হইবে। তাহার পর ঐ অবস্থায় উক্ত পানি পান করিয়া স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করিলে স্ত্রী তাহার চিরদিনের জন্য বাধ্য হইবে।

(উক্ত প্রয়োগ টি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে। যদি কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি সংগ্রহ করতে না পারেন তাহলে অবশ্যই আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ সবাইকে)