যেকোন নারীকেই বশীভূত করুন এই মন্ত্রে

যেকোন নারীকেই বশীভূত করুন এই মন্ত্রেঃ

আপনি যে নারীর জন্য দিসে হারা হয়েছেন, কিন্তু সে আপনার কথায় ও কাজে খুশি না, আপনাকে ঠিক মতো দেখতেও পারে আপনি তার চোখের জ্বালা হয়েগেছেন। তাহলে উক্ত মন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন। কারণ উক্ত মন্ত্রটি অতি সহজ ও কার্য্যকরী। তাই বলবো জিবনে সুখশান্তি ফিরাতে নিজের স্ত্রীকেও বশীভুত করুন যেন, আপনার স্ত্রী আপনার কথার বাহিরে না যায়। শুধু মাত্র আপনাকেই মন থেকে ভালোবাসে।

তেল পড়া মন্ত্রঃ-

““প্রদীপে রহিয়া তৈল ঝিক মিক করে।

জ্বলিতেছে অগ্নিপটি মিট মিট করে।
জ্বলুক অগ্নির কত জ্যোতির রুপেতে।

অমুকের স্ত্রীর মন পুড়ুক ঐ তেলের মাঝেতে।
চঞ্চল ছাড়িয়া তার স্থির হোক মন।

আমাকে ভজনা করি কাটুক জীবন।
কার আজ্ঞে-

কাউরের কামিক্ষ মায়ের আজ্ঞে।

কার আজ্ঞে-

হাড়ির ঝি চন্ডির আজ্ঞে।।””

প্রয়োগ বিধিঃ- যাহার স্ত্রী দুষ্টা হইবে তিনি নিজে স্ত্রীর নাম করিয়া একটি নুতন প্রদীপে সরিষার তৈল পূর্ণ করিয়া তাহা সলিতার দ্বারা জ্বালাইবে এবং একশত আটবার মন্ত্র পাঠ করিবে। সে এমন বশীভুত হবে যে, অাপনাকে ব্যতীত অন্যকোন পুরুষ মানুষের দিকেও চাইবে না।

বিঃদ্রঃ- উক্ত মন্ত্রের যেখানে অমুক অাছে সেই স্থানে আপনার সেই রমনী নারী বা স্ত্রীর নাম উচ্চারণ করিতে হইবে। উক্ত প্রয়োগ করার পূর্বে অবশ্যই অনুমতি গ্রহণ করিতে হইতে। কারণ এটি একটি গুরু মন্ত্র তাই অনুমতি গ্রহণ করা অবশ্যক। ধন্যবাদ।।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)