যেকোন নারীকে দাসী বানান এই মন্ত্রে

যেকোন নারীকে দাসী বানান এই মন্ত্রেঃ

যদি কোন নারীকে সারাজিবনের জন্য আপন করে পেতে চান, এবং তার ভালবাসা পাওয়ার আশা করেন, তাকে ছাড়া যদি আপনার সবসময় মাথার ভিতরে বিভিন্ন চিন্তা দানা বাঁধে! যেকোন মূল্যেই তাকে পাওয়ার আকাংখা মনের ভিতরে উত্তেজনা সৃষ্টি করে তাহলে অবশ্যই নিচের মন্ত্রটি আপনি প্রয়োগ করতে পারবেন।

নারী বশিকরন প্রভাবশালী মন্ত্রঃ

““আউন্তি যাউন্তি না আসন্তি বাই।

নাউন্তি বাসন্তি চলন্তি গাই।।
খিদমুণ্ডা না আসে হিন্থাকে।

চলি গেলা বল বাই কন্থাকে।।
খাওয়া পরা দিয়া আরে এতে কৈনু বড়।

কাহার লাগিয়া সে যে এত হৈলে দড়।।

ভিরমুণ্ডা সাইয়ের আজ্ঞা অন্য কার নয়।

ফিরিয়া ফিরিয়া বামা আমা প্রতি চায়।।

আমায় না দেখিলে সে কান্দিতে থাকিবে।

পাঁচজানার কাছে সে দুঃখ যে করিবে।

ফর ফটটি ফর ফটটি তুই বড় দড়।

আমারে ছাড়িয়া তুমি হতে চাও বড়।
মোর প্রতি ফিরে তুমি যদি না চাহিবে।

বড় দুঃখ পাইবে তুমি এত দুঃখ পাও।

আমা প্রতি ফিরিয়া তুমি চাও।

খিমুণ্ডার আজ্ঞে ইহা অন্য কিছু নয়।

লাগ্ লাগ্ অমকীর গায়ে অমুকের পায়ে পড়য়।””

প্রভাতে শয্যা হইতে উঠিয়া মুখ ধৌত করতঃ সাতবার এই মন্ত্র পাঠ পূর্বক যে স্ত্রী লোকের নাম উচ্চারণ করিয়া গণ্ডষ জলপান করা যায়। সেই নারি নিশ্চয়ই বশীভুতা হইয়া তাহার নিকট গমন করতঃ তাহাকে প্রেমদান করিয়া তাহার প্র্রেমানল নির্ব্বাপিত করিবে। ইহা দ্বারা স্বামীর নিত্যান্ত অবাধ্য স্ত্রীকে বিনা ক্লেশে বাধ্য করিতে সমর্থ হইবে। যদি কারো স্ত্রী কর্কট মেজাজেরও হয় তবুও এই মন্ত্রে সে বশীভূত স্বীকার করিবে। প্রকাশ থাকে যে, উক্ত মন্ত্রের যেখানে অমুক কথাটি আছে সেখানে অবশ্যই সেই রমণী নারীর নাম উল্লেখ করিতে হইবে। এই মন্ত্রটি প্রয়োগের আগে অবশ্যই অনুমতি গ্রহণ করিবেন। যেহুতু এই মন্ত্রটি গুরু মন্ত্র তাই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করা প্রযোজ্য। অনুমতির জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।।।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)