রমণী মেয়ে বশিকরন

রমণী  বশীকরণ মন্ত্রঃ

বিবরণঃ- অামাদের মাঝে এমনও প্রেম-ভালবাসা দেখা যায়। যে ভালবাসা একপাক্ষিক হয়ে থাকে। জিবনে চলার পথে অনেকের শৈশব কাল থেকেই কারো না কারো পছন্দের কোন রমণী থাকে। হয়তোবা আপনি তাকে ভালবাসেন। কিন্তু সেই রমণী আপনাকে হয়তো পছন্দ নাও করতে পারে। সে আপনাকে ছোটবেলার খেলার সাথী বা বন্ধু ভাবতে পারে। এমন ও হতে পারে আপনি তার সাথে ঘুরতেছেন চলতেছেন কিন্তু সে আপনাকে ভালবাসেন না। আর অন্যদিকে আপনি সেই রমণীকে জীবনের চাইতেও ভালবাসেন। ঠিক তাদের জন্যই আমাদের এই মন্ত্র প্রয়োগ করা অবধারীত। নিম্নলিখিত মন্ত্রটি কোন শনিবার দিন বা রাত্রে মুখস্ত করিতে হইবে এবং মঙ্গলবার দিন অথবা রাত্রে কাজে লাগাতে হবে।

“নিকুঞ্জেতে বসি কৃষ্ণ করেন ক্রন্দন।

সুবল নিকটে গিয়া কহেন তখন।

সুবল বলেন তখন গুনহ শ্রীকৃষ্ণ।।

কি কারণে হও হে এমন অতিষ্ঠ।।

এমত তোমারে আমি দেখি নাই কভু।।

সবাকার হও যে ভাই তুমি মহাপ্রভু।

কৃষ্ণ বলে রাধা বিনা প্রাণ নাহি বাঁচে।

লইয়া এস গো রাই তুমি মোর কাছে।

শুনিয়া এতেক বাণী সুবল তখন।

করিতে লাগিল স্তব রাধার কারণ।
হেথা বাধা সতি বনে পেয়ে মহাভয়।

সেইক্ষণে চলিয়া নিকুঞ্জে নিরালায়।।

রাধা এসে সেইক্ষণে দিলা দরশন।

বাহু মেলি কৃষ্ণ তারে লৈলা তখন।।

রাধাকৃষ্ণের তবে যুগল মিলন হৈল।

উমকা উমকার প্রতি ফিরিয়া যে চায়।।

এই মন্ত্র যবে অন্যথা হইবে।

শ্রীকৃষ্ণের চুড়া খসি ভূমেতে পড়িবে।।”

যে রমণী মেয়েকে বশ্যতা স্বীকার করাইতে হইবে তাহার গাত্রে হাত বুলাইতে বুলাইতে এই মন্ত্র সাতবার পাঠ করে  সাতটি ফু প্রদান করিলেই কার্য্যসিদ্ধ হইবে।

ইহা ছাড়াও আমরা এই বিষয়ে আরোও ৫ টি মন্ত্র ও তার ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সেগুলো একসাথে পেতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন। তারপর ডাউনলোড করুন। আপনারা এই ৫ টি মন্ত্র একসাথে PDF File আকারে পাবেন।