শত্রু কিংবা নারী-পুরুষ বশ মানবেই এই মন্ত্রে

শত্রু কিংবা নারী-পুরুষ বশ মানবেই এই মন্ত্রেঃ

বিবরণঃ- আমাদের আশে পাশে লুকিয়ে থাকা মুখশ ধারী কিছু অসাধু ব্যক্তিবর্গ রয়েছে। যাদের কে আমরা অনেকেই চিনি বা জানি, আবার অনেকেই জানিও না চিনিও না। অনেক সময় অপরিচিত ব্যক্তিদের কাছে আমাদের বিভিন্ন কাজের জন্য সাহায্য নিতে হয়। বিভিন্ন ধরনের সাহায্যের জন্য অন্যের কাছে যেতে হতে পারে। কিন্তু এখন বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সাহায্য ছাড়াও আমরা অনেক কিছু টাকার মাধ্যমে করে থাকি অনেক বড় বড় কাজ। বিশেষ করে সরকারী চাকুরী, ব্যাংকের চাকুরী, সেনাবাহিনীর চাকুরী, বিদেশে চাকুরীর জন্য ভিসা এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের বড় বড় কাজের জন্য আমরা ছুটে যাই দালালদের কাছে কিংবা যাহারা এই সব কাজ বর্তমানে করে তাদেরকে আমরা পরামর্শ নিয়ে থাকি। তারা বলে আমি চাকুরী নিয়ে দিতে পারবো, আমাদের বিদেশে আপনজন আছে তাদের মাধ্যমে আমি বিদেশে পাঠিয়ে দিতে পারবো, আমার বড় ভাই সরকারী চাকুরী করে, তার বড় বসের সাথে তার গভীর সম্পর্ক আছে, তার মাধ্যমে চাকুরী পাওয়া সম্ভব। আসলে এগুলো সব ঠিক। এই সব দিক বিচার করে আপনারা তাদের সাথে একটা কন্ট্রাক করেন, যে চাকুরী টা হয়ে গেলে আপনাকে আমরা ১০ লক্ষ্য টাকা বা ১৫ লক্ষ্য টাকা দিবো। কিংবা বিদেশে পাঠিয়ে দিতে পারলে আমরা আপনাকে ১০ লক্ষ্য টাকা দিবো। তারাও আপনাদের কথায় রাজি হয়ে তাদের কে কিছু টাকা আগে দিয়ে দেন আর বাকি টাকা গুলো উদ্দেশ্য সফল হয়েগেলে দেওয়ার চুক্তিপত্র থাকে। তাই আপনারা তাদের বিশ্বাস করে অগ্রীম ৫ লক্ষ্য বা ১০ লক্ষ্য টাকা দিয়ে দেন। আপনাদের চাকুরী বা ভিসার আশায় কিন্তু দীর্ঘ দিন যাবৎ দেখতেছেন।  আপনার কাজের পিছনে তিনি ভালোই শ্রম দিতাছেন। কিন্তু কোন ফলাফল পাচ্ছেন না। ঠিক তখনই আপনাদের মাঝে একপ্রকার দন্দ বা বিবাদ সৃষ্টি হয়ে যায়। সেই ঝগড়ার কারনেই আর আপনি সেই লোকটিকে কোন ভাবেই ধরতে পারবেন না কিংবা তার সাথে ঠিকমতো যোগাযোগ ও করতে পারবেন না। তাই আপনি মহা বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়েন। ঠিক সেই সময় আপনার আর তেমন কিছুই করার থাকে না। আরো ইত্যাদি কারনেও আপনারা হয়তো কাউকে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা দিয়ে আর তুলতে পারছেন না। ঠিক সেই সময়ই নিচের প্রয়োগ টি করতে পারেন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে, একটা সার্ভিস গ্রহণ করে সেই ব্যক্তিকে আপনার পদতলে আনার ব্যবস্থা করুন ও আপনার টাকা বা আমানত ফিরে পাওয়ার সুবিধা গ্রহণ করুন।

প্রভাবশালী বশীকরণ প্রয়োগঃ

সামগ্রীঃ- এক হাত জোড়ী (মন্ত্র সিদ্ধ চৈতন্য), একশ’ গ্রাম সিন্দুর, তৈলপ্রদীপ, লোবান।

মালাঃ- হকীক মালা।

সময়ঃ- খাওয়ার সময়।

দিনঃ- যেকোন দিন।

জপ সংখ্যাঃ- নিত্য ৫১ বার।

অবধিঃ- এগারো দিন।

দিকঃ- পশ্চিম।

মন্ত্রঃ-     “ওঁ নমো কট কট বিকট বিকট ঘোর ঘোর

        ধূর্জটায় বিকটায় (অমুকং) মে বশ  মানায় স্বাহা।।”

প্রয়োগঃ- এর প্রয়োগ যে কোন দিন করা যেতে পারে। এর বিশেষত্ব এই যে, খাওয়ার সময়ই একে সিদ্ধ করা যায়। সবচেয়ে প্রথমে দশ হাজার বার করে একে সিদ্ধ করে নিতে হয় তারপর যখন খেতে বসবেন তখন এই মন্ত্র ৫১ বার উচ্চারণ করতে হবে। এতে অমুকের স্থানে উদ্দেশ্যরত ব্যক্তির নাম বলতে হবে (যাকে বশ করতে চাইছেন)। এটা দু’বারই খাবার সময় রোজ করতে হবে এবং শুধুমাত্র ১১ দিন করলেই ঐ ব্যক্তি বশ মানবে। এর প্রয়োগের সময় মাত্র ২ বারই ভোজন করা যাবে। এ ছাড়া অন্য কোন রুপ খাদ্র বা ভাত ও ফল খাওয়া নিষেধ।

দ্বিতীয় প্রয়োগঃ- এ ছাড়াও যে কোন দিন সকালে স্নান, ধ্যানের পর একটা কাঠের তক্তা পেতে তার উপর লাল কাপড় বিছিয়ে মন্ত্র সিদ্ধ চৈতন্য এক হাত জোড়ী স্থাপন করে তার সামনে তৈল প্রদীপ জ্বালিয়ে লোবান দিয়ে ধুনো দিতে হবে। এবার এগারো দিনে উক্ত মন্ত্র এগারো হাজার দফা জপ পূর্ণ করতে হবে। মন্ত্র জপ পূর্ণ হবার পর চৈতন্য এক হাত জোড়ী সর্বদা নিজের কাছে রাখতে হবে। এর প্রয়োগের ফলে উক্ত এক হাত জোড়ীতে বশীকরণ শক্তি উৎপন্ন হবে। এবার ঐ এক হাত জোড়ী কোন উচ্চাধিকারীর সাথে দেখা করার সময় বা ইন্টারভিউ র সময় অথবা কোর্ট কাচারি যাবার সময় নিজের পকেটে রেখে দিলে বাঞ্ছিত (মনের আশা) সফলতা পাওয়া যায়।

বিঃদ্রঃ- উপরোক্ত প্রয়োগটি কাজে লাগানোর আগে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন ও অনুমতি গ্রহণ করবেন। আর যদি আপনি সত্যিই এই সকল সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ও আমাদের মাধ্যমে কাজটি সমপন্ন করুন।। ধন্যবাদ।।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}