শশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে ফিরানো

শশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে ফিরানোর উপায় বা মন্ত্রঃ

দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণঃ

বিবরণঃ- মানুষ মাত্রই ভুল কে না পড়ে এর ফাঁদে সবাই এর অনুসারী পৃথিবীতে আজ পর্য্যন্তু যত মানুষ আসছে আর গেছে তাদের জিবনে দেখা গেছে তাদের ও কিছু না কিছু ভুল ত্রুটি হয়েছে। তবে উপরওয়ালা প্রেরিত কয়েক জন ছাড়া তার কারণ তাদের কে কন্ট্রল করতো স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা। যাই হোক আমাদের আজকের বিষয় হচ্ছে, দুষ্টা স্ত্রী কে শশুর বাড়ি থেকে ফিরানোর উপায়। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের সমাজে বিভিন্ন ভাইদের এরকম কষ্ট যা কল্পনা করাটাও খুব কষ্টকর। কারণ বিভিন্ন পরিবারে দেখা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারনে অকারনে স্ত্রী স্বামীর সাথে ঝগড়া করে বাবার বাড়িতে গিয়ে আর আসতে চায় না। আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় স্ত্রীর সাথে তার পুরানো বন্ধুদের সম্পর্ক রয়েছে। তাই সেই বন্ধুর কাছে ফিরে যেতে চায় সেই স্ত্রী। আবার দেখা যায় কোন কোন খারাপ শশুর শাশুরীদের কারণে আপনার স্ত্রী ও খারাপ হয়ে যায় তারা নিজের মেয়েকে বিভিন্ন রকমের কথা বার্তা বলে সংসারে পচন সৃষ্টি করে দেয়। হাল্কা একটু সাংসারিক ঝামেলার কারণে বলে আর তোমাকে শশুর বাড়ি যেতে হবে না। তুমি আমাদের এখানেই থাকো, কিছু দিন থাকার পরে দেখা যায়, ঘটনা আরো উল্টো হয়ে দাঁড়ায়। অনেক দিন বাবার বাড়িতে মেয়ে থাকতে থাকতে এলাকার মানুষজন বলে তোমার মেয়ের কি হলো জামাইর বাড়ি তে কেন যায় না। মেয়ের বাবা উত্তরে বলে আমার মেয়েকে আর জামাইয়ের বাড়িতে পাঠাবো না সেখানে আমার মেয়ে সুখ পায় না। শুধু ঝামেলা আর ঝামেলা। এসব কথা বার্তা শুনে এলাকার লোক জন বলে এরকম মেয়েকে তো আর ঘরে রাখা যায় না তাই তুমি তোমার মেয়ে কে অন্য খানে বিয়ে দিয়ে দাও। তাহলেই সকল সমস্যার সমাধান হবে। কিছু দিন পর আপনি হয়তো শুনতে পেলেন তবে আপনার আর কিছুই করার থাকলো না সে সময় তখন আপনি কি করবেন। একদিকে আপনার জিবন আর অন্যদিকে আপনার একটি ফুটফুটে সন্তান। এসব ভেবে ভেবে আপনার জিবন ও প্রায় বিলিন হয়ে পড়ছে। তাই সময় থাকতেই আপনি এই কাজ করুন। যেন আপনার স্ত্রী আপনাকে ছেড়ে আর কখনো কোথাও পালিয়ে না যায়। কোথাও গিয়ে যেন শুধু আপনাকেই খুজে আর সারাক্ষণ পাশে পেতে চায় সেই ব্যবস্থাই করুন। এই জন্য নিচের মন্ত্রটি আপনাদের উপকারে আসবে। তবে আপনার স্ত্রী যদি বাবার বাড়িতে গিয়ে থাকে তবে আর দেরি না করে এই মন্ত্রটি গিয়ে সেখানে প্রয়োগ করুন।

মন্ত্রঃ-

“ধুল ধুল ধুলকো রাজরাণী।

মনোরমা মনোমোহিণী।।

নিলাম তোমায় তিন আঙ্গুলে করে।

মন্ত্রিলাম মহাদেবীর বরে।।

ধূলা ঝাড়িলাম নিজ স্ত্রী অঙ্গে।

চলেছে যে ধনা রঙ্গে ভঙ্গে।।

ধূলা নিলাম পড়িয়া।।

আনিবে মন কাড়িয়া।।

ধূলা পড়ার মন্ত্র গুণে।
বশীভূতা হইয়া সে কথা শুনে।।
কাঁউর কামাখ্যার আজ্ঞা পাই।

স্ত্রীকে আমার কাছে পাই।।”

প্রয়োগ বিধিঃ- স্ত্রীর হাঁটা-চলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, মাটিতে তার বাম পায়ের বুড়ো আঙুলটি কোথায় পড়বে। সেই স্থানের ধুলা হাতে নিয়ে উপরোক্ত মন্ত্রে তিনবার অভিমন্ত্রিত করতে হবে। তারপর স্ত্রী যেন কোন ভাবেই বুঝতে না পারে ঠিক সেভাবে তার অলক্ষ্যে সেই ধুলা তার গয়ে ফেললে নিশ্চয়ই স্বামীর বশীভূত হয়ে সে স্বামীর বাড়ি ফিরে আসবে।

বিঃদ্রঃ- এই মন্ত্র প্রয়োগের পূর্বে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ইহা ছাড়াও আরোও কিছু সহজ নিয়ম রয়েছে যা আপনাদের উপকারে আসবে। উক্ত মন্ত্র কাজে লাগানোর পূর্বে হাদিয়া বা চন্ডিবরণ দিয়ে কাজ করতে হবে। ধন্যবাদ।।।

ইহা ছাড়াও আমাদের প্রতিষ্ঠান আপনাদেরকে বর্তমানে ফ্রিতেই নারী, স্ত্রী, বিবাহিত মহিলা ও মনপছন্দ রমণী বশীকরণ করার সহজ মন্ত্র ও তন্ত্র দিতেছে। এটা খুব সিমীত সময়ের জন্য। তাই আপনারা আর দেরী না করে এখনি নিচের ছবিতে ক্লিক করুন ও PDF File টি ডাউনলোড করুন। ধন্যবাদ।।।