শিউলি ফুলের উপকারীতা

শিউলি ফুলের উপকারীতাঃ

বিভিন্ন অসুখে ব্যবহারঃ

পৈত্তিক জ্বরেঃ শিউলি পাতার রস ৩ চামুচ করে দিনে তিনবার খাওয়ালে পৈত্তিক জ্বর দ্রুত ভাল হয়ে যায়।

বিষম ও অবিরাম জ্বরেঃ শিউলি গাছের ৬ টি থেকে ৮ টি পাতা সামান্য পানির সাথে বেটে তার মধ্যে টাট্কা আদার রস মিশিয়ে রোগীকে খেতে দিলে উভয় জ্বরে আরাম পাওয়া যাবে। এ ঔষধ প্রয়োগের সময় শাক-সব্জি বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন।

মাথার খুস্‌কিতেঃ শিউলি-বীজের গুঁড়া গোসল করতে যাবার ২/৩ ঘন্টা আগে সামান্য পানি গুলে মাথার সব জায়গায় ভালভাবে ঘষে মাখতে হবে। এভাবে কয়েকদিন মাখার পর মাথার খুস্‌কি সব চলে যাবে।

পিত্ত বাড়লেঃ শিউলির ৮-১০ টি পাতা সামান্য গাওয়া ঘিয়ে ভেজে খেলে খুব উপকার পাওয়া যায়। তিন থেকে চার দিন খাওয়া দরকার। ভাতের সাথে অন্য কিছু খাবার আগে শিউলি পাতা মেখে প্রথমেই খেতে হবে।

কোমরের বাতের ব্যথায়ঃ টাট্‌কা ১৫ থেকে ২০ টি শিউলি গাছের পাতা দু-কাপ পানিতে সিদ্ধ করে আধ কাপ থাকতে আঁচ থেকে নামিয়ে ফেলতে হবে। সে পানি সকালে এবং একই ভাবে সন্ধ্যায় খাওয়া দরকার। কিছুদিন নিয়ম করে খেলে বাত রোগ আরোগ্য হয়।

ঘন সর্দি অথবা হলুদ শ্লেষ্মায়ঃ শিউলি গাছের মূল ১ গ্রাম পানের সাথে চিবিয়ে দিনে একবার খেলে সর্দি অথবা শ্লেষ্মা ভিতর থেকে বের হয়ে যায়।

ছোটদের ক্রিমি রোগেঃ শিউলি পাতার ৪ চামচ রসে আধ চামচ চিনি মিশিয়ে ছোট ছেলে মেয়েদের খাওয়ালে পেটের বড় ক্রিমি বের হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে মরা ক্রিমিও পায়খানার সাথে বের হয়ে আসে।

বিঃদ্রঃ- মাথার খুস্‌কি ছাড়া অন্যান্য রোগে শিউলিপাতা, মূলের ছাল ও ত্বক্‌ ব্যবহার করা হলে, খাদ্যের ব্যাপারে কিছু নিয়ম পালন করতে হবে। ঔষধ যে ক’দিন ব্যবহার করবে ঐ সময় মাছ, মাংস, ডিম ও পিয়াজ খাওয়া উচিৎ নয়।

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ} ***লজ্জাতুন নেছা বইটি ১-৭ খন্ড ফ্রিতে পেতে চাইলে এখুনি উপরের এ্যড টিতে ক্লিক করুন***