শ্যাম সাধনা করার সঠিক পদ্ধতি

শ্যাম সাধনা করার সঠিক পদ্ধতিঃ

অগনীত দেব দেবীর মধ্যে কয়েক জন দেব দেবী অনেক শক্তিশালী তাই তাদের পূজা করে চলেছে মানুষ। হিন্দু ধর্মে অনুসারীগণ জানেন ও মানেন তাদের দেব দেবীদের কৃপায় তাদের জীবন চক্রাকারে প্রচলীত। তাই তারা এই সব দেব দেবীর পূজা অর্চনা করে থাকে। যদি এমন হয় যে, একজন দেবতা আপনার সকল কাজে সাহায্য করবে তাহলে বিষয় টা কেমন হয়  একটু ভাবুন তো, অবশ্যই অনেক ভালো হবে আপনার দ্বারা যে কাজ করা সম্ভব না সেই কাজটি সেই দেবতা করতে সাহায্য করবে। তাই আমরা আজকে এমনি একজন দেতার সাধনা সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাবো, শ্যাম সাধনার মাধ্যমে শ্যাম দেবতাকে আপনারা ডাকতে পারবেন ও তার সাহায্যে আপনারা অনেক কিছু হাসিল করতে পারবেন তো চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক শ্যাম সাধনার মন্ত্র ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে-

মন্ত্রঃ-

“কাখ দেশ ক্যমখ্যা মাই,

জহাঁ বসৈ ইসমাইল জোগী।

ইসমাইল জোগীনে বোই বাড়ী,

ফুল্ল চুগে লুনা-দে চমারী।

এক ফুল হাসে, এক ফুল বসে,

ফুল-ফুল পর না হর সিংহ কা বাসা।

দেখে সেঢ়ো শ্যাম কোরে তেরে ইলম কা তামাশা।।”

বিধিঃ একটি চৌমুখো প্রদীপে সরষের তেল দিয়ে জ্বালিয়ে আসন পেতে উপরের মন্ত্রটি ৭-১১ বার পড়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এবার সাধনার পূর্বে মন্ত্রটি পড়ে সাধনার সফলতার পথে এগোতে হবে। এই ভাবে প্রতিদিন সাধনার পূর্বে মন্ত্রটি ৪ বার জপ করতে হবে। এই সাধনা পুরো ২১ দিনের। কমপক্ষে ১০৮ বার মন্ত্রটি রোজ রাতে জপ করা দরকার। যদি ২১ দিনের আগেই ‘শ্যাম’ প্রকট হন তবে তারে কাছে তিনটি সর্ত রাখতে হবে। ডাকলে আবার আসবেন এই সর্তে তাকে প্রথম বার ছেড়ে দিতে হবে। তবে সাধনা কিন্তু পুরো ২১ দিনই করতে হবে। ‘শ্যাম’ সাধকের ইচ্ছানুসারে তার সক কাজই করে দেবে। সাধনা চলাকালীন নানরকম উপদ্রব শুরু হতে পারে এতে বিচলিত হবার দরকার নাই। অন্যথায় ক্ষতি হতে পারে।।

বিঃদ্রঃ- উক্ত সাধনা করার পূর্বে অবশ্যই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। নতুবা সঠিক দিক্ নির্দেশনার অভাবে ভীষণ ক্ষতি হতে পারে। যদি কেউ এই সাধনাটি করতে চান তাহলে আমাদের সাথে যোগাযো করুন। ধন্যবাদ।।

{লজ্জাতুন নেছা, কোকা পন্ডিতের বৃহৎ ইন্দ্রজাল, তন্ত্র মন্ত্র এবং বশিকরনে কালা জাদু বই গুলি ফ্রিতে পেতে চাইলে নিচের লেখা বা ছবিতে ক্লিক করুন ও বই গুলি লুফে নিন ধন্যবাদ}