সংসার সুখময় করতে স্বামী বশিকরন

সংসার সুখময় করতে স্বামী বশিকরন মন্ত্রঃ

বিবরণঃ- আমরা জানি সংসার সুখে হয় রমণীর গুণে, কিন্তু এই বাক্যটি এখন মনে হয় উল্টো হয়েগেছে কিছু কিছু পরিবারে, সংসারে স্ত্রী লোক যদি একটু কম কম খরচ করে সংসারের সমস্ত কাজ কর্ম করে। বিশেষ করে রান্না বান্নায় যদি কম খরচ করে তাহলে সংসারে উন্নতি হয় জ্ঞানী গুণীরা বলেন। কিন্তু বিভিন্ন পরিবারে এই বাক্যটির উল্টো পড়েছে। এখন দেখা যায় স্বামীরাই বাহিরে বেশি বেশি টাকা পয়সা খরচ করে অনেক টাকা পয়সা নষ্ট করছে। বিশেষ করে স্বামীরা অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত হয়ে এই রকম সমস্যার সম্মূখীন হচ্ছে। তাই উপার্জনকৃত টাকার বেশিই খরচ হয়ে যাচ্চে। তাই অনেক সংসারে তেমন সুখ শান্তি দেখা দিচ্ছে না। স্বামীকে আপনার আয়ত্বে রাখতে নিম্নলিখিত মন্ত্রটি প্রয়োগ করুন। তাহলে আপনার স্বামী আপনার কথায় উঠবে ও বসবে। আর বিনা কারণে অযথা টাকা পয়সা নষ্ট করবে না।।

“মহেশ গৃহিনী তুমি তারা ত্রিনয়নি।।

ভজনা করষে তোম যত সব মুনি।।

দক্ষালয়ে যবে তুমি দেহ ত্যাজেছিলে।

মহেশের কত দুঃখ দেখিতে পাইলে।।

কর্ম্ম সূত্রে বাঁধা ছিলা সকলে তা জানে।

মহেশ তোমার কভু নাহি পায় ধ্যানে।
ঈশ্বর তোমার তুমি ভরের ঘরনি।
বরদা মুখদা মাগো তুমি ভবরানি।।

বক্ষালয়ে তুমি মাতা দেহত্যাগ কৈলে।
খন্ডের এখন্ড তুমি কামাখ্যায় পরিলে।।

পিঠস্থানে সেই খানে সেই হৈতে হয়।

অথবর্ব বেদের সৃষ্টি তথায় করয।।

সেই বেদের পদ্য হয় উচ্ছারিত মন্ত্র।

তাহাতে নরগন কর যে মহাতন্ত্র।।

সেই হেন মন্ত্র আমি লইনু স্মৃতিতে।
এই হেন মন্ত্র আমি পড়িনু তাহাতে।

তোমার ঘটে সিন্দুর উজ্জল হৈল।।

সিন্দুর লৈয়া মাগো কপালে কৈনু দান।

আমার পতির প্রাণ কৈল আন্‌চান।

কার আজ্ঞে?

কামাখ্যা মায়ের আজ্ঞে?

আমার এই সিন্দুর পড়া অমুককে যদি না লাগে।

মহামায়ায় খড়ম খসি ভূমেতে যে পড়ে।।”

কচি কলাপাতায় বিশুদ্ধ গব্যঘৃত লিপ্ত করিয়া উহাতে ‍সিন্দুর দিয়া রঞ্জিত করিবে এবং স্ত্রী ঐ কলাপাতা দক্ষিন হস্তের উপর রাখিয়া উক্ত মন্ত্র একশত আটবার পাঠপূর্বক স্ত্রীর ললাটদেশে তিলক ধারণ করিবে। তিলক ধারণ করিবার সময় বা হস্তের কনিষ্ঠাঙ্গুলি দ্বারা তিলকে কাটিতে হইবে। এই ভাবে তিলক কাটিয়া পতির প্রতি দৃষ্টিপাত করিলেই পতি অবিলম্বে চিরকালের জন্য দাসস্ত বশীভুত হইয়া স্ত্রীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত হইবে। এই প্রকৃয়া দ্বারা প্রত্যেক নারী অনায়াসে স্বামীকে বশীভুত করিয়া নারীজীবন সার্থক ও সংসারকে সুখময় করিতে পারিবে।

বিঃদ্রঃ- উক্ত মন্ত্রে যেখানে অমুক আছে সেখানে আপনার স্বামীর নাম উচ্চারণ করবেন।  উপরোক্ত প্রয়োগটি করার পূর্বে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আর চন্ডিবরণ দিয়ে অনুমতি গ্রহণ করুন। যেহুতু এটি একটি গুরু মন্ত্র তাই অনুমতি গ্রহণ অবশ্যক। ধন্যবাদ।।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)