সকল লোক বশীকরণ

সকল লোক বশীকরণ কাজলঃ

যদি আপনি আপনার চারিপাশ্বের সকল লোককে বশীভূত করতে চান তাহলে আপনাকে এই প্রক্রিয়াটি অবলম্বন করা শ্রেয়। কারন সমাজের বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত করা হয়। তাই একেকটি কাজের জন্য একেক জন ব্যক্তির প্রয়োজন পরে। ঠিক এই প্রক্রিয়ার দ্বারা সকল লোককেই বশ করে রাখা যায়। নিজের সুবিধে মতো কাজ করতে বা প্রয়োজনে পাশে পেতে সর্ব বশীকরণ প্রয়োজন। কিংবা আপনি যদি একটি অফিসের সাধারন কর্মকর্তা হয়ে থাকেন। তবে আপনার মনে সারাক্ষন শুধু একটি প্রশ্নই জাগ্রত হবে যে কথন আমি সেই বসের কাছে গিয়ে আমার বেতনটা বাড়ানোর কথা বলবো। কবে আমি বসের মতো বেতন পাবো। কবে আমি আমার চাকুরিকে উচু পদে রুপান্তর করাতে পারবো। এসকল প্রশ্ন সারাক্ষণ আপনার সাথে যুদ্ধ করে। আসলে এসকল প্রশ্নের উত্তর হলো আপনার কর্মস্থানের বড় বসের কাছে। কারন আপনি যদি আপনার বসকে খুব ভালবাসেন ও আপনার বস যদি আপনাকেও ভালবাসে তাহলে আপনার প্রমোশন রেডি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় বস আপনাকে দেখতে পারে না। অন্যকে খুব ভালবাসে আপনাকে বস পাত্তাই দেয় না। আপনার প্রমোশন হচ্ছে না। আপনার পরে কেউ চাকুরিতে জয়েন করে তাড়াতাড়ি তার বেতন আপনার বেতনের তুলনায় বেশি হয়েছে। ঠিক এই রকম সমস্যায় পড়লে এই প্রক্রিয়াটি কাজে লাগাতে পারেন। আর যদি প্রক্রিয়াটি প্রয়োগ করতে কষ্ট হলে। অবশ্যই আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন।

রবিবার পুষ্যানক্ষত্রে এবং অমাবস্যা যেদিন একসঙ্গে যুক্ত হবে। সেইদিন টগর, কুড়, তালীসপত্র একসঙ্গে পেষণ করে রেশমের কাপড়ে প্রলেপ দিয়ে মোটা বাতি তৈরী করতে হবে। তারপর সরষের তেলে সেই বাতি ভিজিয়ে প্রদীপ জ্বালাবে। তার উপর মরার মাথার খুলি ধরবে। গভীর রাতে নির্জনে এই কাজ করে, মরার মাথার খুলিতে যে কাজল পড়বে। সেই কাজল একটি পাত্রে যত্ন সহকারে তুলে রাখতে হবে। প্রয়োজন সময়ে সেই কাজল নিম্নলিখিত সিদ্ধ মন্ত্র দ্বারা ১০৮ বার অভিমন্ত্রিত করে চোখে লাগিয়ে যার দিকে চেয়ে দেখবে, সেই বশীভূত হবে।

মন্ত্র-“ওঁ নমোঃ ভগবতে উড্ডামহেশ্বরায় মোহয় মোহয় মিলি মিলি ঠঃ ঠঃ স্বাহা।”

মন্ত্রটি প্রথমে নির্জনকোন স্থানে বসে  ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে।