স্ত্রী বশীকরণে বিশেষ ধুলি পড়া মন্ত্র

স্ত্রী বশীকরণে বিশেষ ধুলি পড়া মন্ত্রঃ

লজ্জাতুন নেছা.কম এর পক্ষ্য থেকে সকলকে জানাই আন্তরিক সুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকে আমরা স্ত্রী বা বউ বশিকরনের খুব সহজ একটি মন্ত্র ও তন্ত্র আপনাদের সামনে উল্লেখ করেছি। যাদের স্ত্রীরা স্বামীদের ঠিকমতো ভালবাসে না ও স্বামীর চাহিদা মতো আদর যত্ন করে না সে সকল স্ত্রীদের নিচের প্রয়োগ টি করলে অবশ্যই স্ত্রী তার স্বামীকে পূর্বের ন্যায় দ্বীগুণ ভালবাসবে ও সংসারে অনাবিল সুখ ফিরিয়ে আনবে। তাহলে মন্ত্র ও নিয়ম কানুন গুলি দেখে নেওয়া যাক-

মন্ত্র যথাঃ-

“মনো মোহিনী মনোহর

শুন মোর বাণী

হাতেতে তুলিলাম ধুলা

নিলাম তিন আঙ্গুল করে।

আমার এই ধূলা পড়া

দিলাম অমুকের অঙ্গে।

যে জন হেঁটে যায়

অতি  রঙ্গে ভঙ্গে।

তার মন কেড়ে এই ধুলা আনিবে।

আমার বশ্যতা সে স্বীকার করিবে।

কার আইজ্ঞে?

কাওয়ের কামিখ্যের

মায়ের আইজ্ঞে।

হাড়ির ঝি,

চণ্ডীর আইজ্ঞে।”

মন্ত্র শিক্ষা করা ও কাজে লাগানো নিয়মঃ মন্ত্রটি পূর্ণমার রাত্র ১২ টার সময় হইলে পাঠ করা আরম্ভ করিতে হইবে। যতক্ষণে শিক্ষা করা সম্ভব হয় ততক্ষণে মন্ত্রটি শিক্ষা করিতে হইবে। কাহারো স্ত্রী যদি কথা না মানে তবে শনি মঙ্গল বার দিন উক্ত রমণীর বাম পায়ের বৃদ্ধ আঙ্গুলের নীচের ধূলা লইয়া উক্ত মন্ত্র তিন দফা পাঠ করিয়া ধূলার মধ্যে তিন দফা দম করিয়া কিছু ধূলা ঐ রমণীর শরীরে ছিটাইয়া দিবে। আর কিছু ধূলা গোপনে রমণীর কাপড়ে মাখাইয়া রাখিবে। ইহাতে রমণী বশ্যতা স্বীকার করিবে। এই সমস্ত তন্ত্রমন্ত্র কোন পুস্তকে নাই, তবে মানুষের উপকারের জন্য মন্ত্রগুলি পুস্তকে লিপিবদ্ধ করা হইল। অন্যায় কাজে মন্ত্র খাটাইলে কোন প্রকার লাভ হইবে না। ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা বেশি। যদি কেহ কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ করিতে চান তাহা হইলে মন্ত্র খাটানোর পর কাজ হইলে তাহাকে শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ করিয়া লইবেন। অমুকের স্থানে বশীকরণ করার নারীর নাম বলিতে হইবে।

(উক্ত প্রয়োগ টি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে। যদি কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি সংগ্রহ করতে না পারেন তাহলে অবশ্যই আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ সবাইকে)