স্বামী বশিকরন মন্ত্র

স্বামী বশিকরন মন্ত্রঃ

বিবরণঃ- আপনার স্বামীকে একান্তই আপনার করে পাওয়ার জন্য এই প্রয়োগটি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার স্বামীর যদি কোন খারাপ অভ্যাস বাজে কোন রকম নেশা থাকে তাহলে আপনার স্বামীকে এইসব বৎঅভ্যাস ত্যাগ করাতে নিম্নের মন্ত্রটি প্রয়োগটি করতে পারেন। বিশেষ করে যদি আপনার স্বামী অন্য কোন নারীর প্রতি আসক্ত থাকে তাহলে এই প্রয়োগটি খুবই ফলদায়ক।

স্বামী বশিকরন মন্ত্রঃ

“নিকুঞ্জেতে বসি কৃষ্ণ করেন ক্রন্দন।

সুবল নিকটে গিয়া কহেন তখন।

সুবল বলেন তখন গুনহ শ্রীকৃষ্ণ।।

কি কারণে হও হে এমন অতিষ্ঠ।।

এমত তোমারে আমি দেখি নাই কভু।।

সবাকার হও যে ভাই তুমি মহাপ্রভু।

কৃষ্ণ বলে রাধা বিনা প্রাণ নাহি বাঁচে।

লইয়া এস গো রাই তুমি মোর কাছে।

শুনিয়া এতেক বাণী সুবল তখন।

করিতে লাগিল স্তব রাধার কারণ।
হেথা বাধা সতি বনে পেয়ে মহাভয়।

সেইক্ষণে চলিয়া নিকুঞ্জে নিরালায়।।

রাধা এসে সেইক্ষণে দিলা দরশন।

বাহু মেলি কৃষ্ণ তারে লৈলা তখন।।

রাধাকৃষ্ণের তবে যুগল মিলন হৈল।

উমকা উমকার প্রতি ফিরিয়া যে চায়।।

এই মন্ত্র যবে অন্যথা হইবে।

শ্রীকৃষ্ণের চুড়া খসি ভূমেতে পড়িবে।।”

যে স্ত্রী বা পুরুষের বশ্যতা স্বীকার করাইতে হইবে তাহার গাত্রে হাত বুলাইতে বুলাইতে এই মন্ত্র সাতবার পাঠ ও সাতটি ফু প্রদান করিলেই কার্য্যসিদ্ধ হইবে।

বিঃদ্রঃ- উক্ত মন্ত্রটি ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। এই মন্ত্রটি গুরু মন্ত্র তাই গুরুর অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।

(প্রিয় ভিজিটরগণ এই মন্ত্র টি হয়তো আপনারা দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে, কত সহজ ও সাবলীল যে কেউ এই মন্ত্রটি কাজে লাগাতে পারবেন। এই মন্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছে আমাদের প্রাপ্ত বয়স্কা তান্ত্রিক মহাদয়ের একটি পুস্তক থেকে- (লোক চিকিৎসায় তন্ত্র-মন্ত্র) বই থেকে। আপনারা চাইলে এই বইটি ক্রয় করে নিজের কাজ গুলি নিজে নিজেই করতে পারবেন। আমরা আপনাদের অনুমতি প্রদান করবো ও প্রতিটি কাজের পূর্বে সহযোগীতা করবো। ধন্যবাদ।)