স্বামী-স্ত্রীর মিলনের তদবীর

স্বামী-স্ত্রীর মিলনের তদবীরঃ

স্বামী স্ত্রীর উপর নারাজ থাকলে কিংবা স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হ’লে, নারাজ স্বামী অথবা স্ত্রীর ব্যবহার্য্য একখন্ড কাপড়ের উপর নিম্মবর্ণিত নক্‌শাটি শনিবার দিন আসরের নামাযের পর দেশী কালি দ্বারা লিখে শলিতা বানিয়ে উক্ত শলিতাটি জ্বালাবে। আল্লাহর ফজলে নারাজ স্বামী স্ত্রীর প্রতি রাজি হয়ে যাবে এবং অবাধ্য স্ত্রী স্বামীর প্রতি অনুগত হয়ে যাবে।
নক্‌শাটি এইঃ-


দ্বিতীয় তদবীরঃ-অবাধ্য স্ত্রীকে বাধ্য করতে হ’লে নিম্মবর্ণিত দোয়াটি একচল্লিশ বার পাঠ করে একটি গোল মরিচের উপর ফুঁক দিবে। অতঃপর উহা আগুণে নিক্ষেপ করবে এবং বলবে হে এই হরেফের মোহাক্কেলগণ! অতি সত্বর উমুকের কন্যার উমকাকে উপস্থিত কর।
দোয়াটি এইঃ-
উচ্চারণঃ- “ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বিযারিকা জাব্বার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ গাফুরুন গাফ্‌ফার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু কারীমুলন সত্তার।”
তৃতীয় তদবীরঃ- স্বামীকে রাজী করতে হলে অথবা স্ত্রীকে বাধ্য করতে হলে নিম্মলিখিত আয়াত শরীফ সাতবার পাঠ করতঃ একটি ঘ্রাণ যুক্ত ফুলের উপর সাতবার দম করবে এবং স্বামী এবং স্ত্রীকে ঘ্রাণ লইতে দিবে। আল্লাহর রহমতে স্বামী রাজী এবং অবাধ্য স্ত্রী বাধ্য হয়ে যাবে।
আয়াত শরীফ এইঃ-
উচ্চারণঃ- “ইন্নাল্লাহা আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। ফাসা ইয়াকফীকা হুমুল্লাহু ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।”

{বিঃদ্রঃ- আপনি যদি লজ্জাতুন নেছা বইটি সংগ্রহ করেন, তাহলে আপনার পার্শোনাল সমস্যা গুলো আপনি নিজেই সমাধান করতে সক্ষম হবেন তাই আর দেরি না করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের সাথে এখনি যোগাযোগ করে বইটি ক্রয় করুন। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন আমাদের মোবাইল এ্যডমিন আপনার কাছে বইটি পাঠিয়ে দিবে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে... ধন্যবাদ}