ওল কচুর ঔষুধি গুণাগুণ

ওল কচুর ঔষুধি গুণাগুণ

ওল কচুর ঔষুধি গুণাগুণঃ ওল দু’রকমের হয়। বনের মধ্যে যে ওল আপনা-আপনি জন্মায় তাকে বন্য ওল বলে, আর যে ওল চাষ করে বাজারে বিক্রি হয় তাকে গ্রাম্য ওয় বলে। বন্য ওল বড় এবং কুট্‌কুটে হলেও ঔষদ হিসেবে এর গুণ অসামন্য। ওল অগ্নিদীপক, রুক্ষ, কষায়, কটুরস, কন্ডূকারক, বিষ্টম্ভী, বিশদগুণযুক্ত, রুচিকর এবং লঘু। এতে কফ, অর্শ, প্লীহা এবং গুল্মরোগ আরোগ্য হয়। বিশেষত অর্শরোগে ওল একটি সুপথ্য। সবরকম কন্দশাকের মধ্যে ওল সর্বশ্রেষ্ঠ। এখন বর্তমানে খুব কমই এর চাষ…

Read More

কচু-মানকচুর ঔষুধি গুণাগুণ

কচু-মানকচুর ঔষুধি গুণাগুণ

কচু-মানকচুর ঔষুধি গুণাগুণঃ কচু তিন রকম। যথা ক্ষুদ্র কড়ির মতো, ছোট শামুকের মত ও লম্বা লম্বা ডাঁটার মত। ক্ষুদ্র বা ছোট কড়ির মত কচু লালাযুক্ত হয়। সিদ্ধ করে এ জাতীয় কচু খেলে কখনও কখনও মুখে লাগে। এ কচুকে সিদ্ধ করে খেলে দুষ্টদোষ (মুখে লাগা) চলে যায়। ছোট শামুকের মত দেখতে যে কচু, খেলে প্রায় মুখে লাগে না। এ কচু দিয়ে নানারকম তরকারি তৈরি করে খেলে অতি উপাদেয় হয়। লম্বা ডাঁটার মত কচু ভাত দিয়ে খেতে…

Read More

আদা খাওয়ার উপকারিতা

আদা খাওয়ার উপকারিতা

আদা খাওয়ার উপকারিতাঃ আদা শুক্‌না হলে তাকে শুঠ বলে হয়। শুঠের গুণাবলী সম্বন্ধে প্রশ্চাত্য ডাক্তারদের মত শুঠ সুগন্ধি, উষ্ণ ও স্নায়ুনাশক। এটি খেলে পেট গরম হয় ও পেট জ্বালা পোড়া করে। আদা পেটের ভিতরের বায়ু বের করে দেয়। শুর রোগে আদা উপকারী। আদা চিবিয়ে খেলে হজম হয়। গরম পানিতে শুঠ চূর্ণ মিশিয়ে কপালে দিলে শিরপীড়ায় উপকার হয়। তিক্ত ভেজস দ্রব্যকে সুগন্ধি করার জন্যে শুঠ ব্যবহৃত হয়। রেড়ির তেলের সাথে আদার রস মিশিয়ে খেলে জোলাপের কাজ…

Read More

ভুঁই-আমলা গাছের উপকারীতা

ভুঁই-আমলা গাছের উপকারীতা

ভুঁই-আমলার পাতা ও শিকড়ের অনেক উপকারীতাঃ ভুঁই-আমলা বর্ষজীবী এবং গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। খুব, ছোট, লম্বায় আট ইঞ্চির মতো বাড়ে। গাছের ডাল খাড়াভাবে বের হয়। ওপরের শাখা শিরাযুক্ত ও নরম লোম থাকে। ফুলের আকার ছোট এবং গোলাকার। বিভিন্ন রোগে ব্যবহার করা যায় এই ভুঁই-আমলাঃ হিক্কাঃ শ্বাসেঃ ভুঁই-আমলা গাছের মুলের রস চার চামচ এবং চিনি এক চামচ মিশিয়ে খেলে উপশম হয়। অবিরাম জ্বর ও লিভার বৃদ্ধিতেঃ ভুঁই-আমলা গাছের পাতা এবং বীজ বেটে এক গ্রাম পরিমাণ খাওয়ালে রোগী সাতদিনে…

Read More

কালকাসুন্দা গাছ ও পাতার উপকারীতা

কালকাসুন্দা গাছ ও পাতার উপকারীতা

কালকাসুন্দা গাছ ও পাতার উপকারীতাঃ বর্ষাকালে পতিত জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে এ গাছ জন্মে। এর ফল হলুদ রঙের এবং মটর শুটির মত শুটি হয়। শুটি শুকিয়ে গেলে এর বীজ রে হয়ে থাকে। বিভিন্ন জায়গায় এই তিন নামে ডাকে- কালকাসুন্দা, কালকাসুন্দি ও কালকেসেন্দা। বিভিন্ন রোগে এর ব্যবহার রয়েছেঃ রক্ত দুষ্ট হলেঃ এক তোলা পরিমাণ কালকাসুন্দার পাতার রস মিসরীর চূর্ণসহ সকালে নিয়মিত খেলে রক্তদোষ নিবারিত হয়ে থাকে। কাশি হলেঃ এক তোলা পরিমাষ কালকাসুন্দার পাতার রস আধ সের পানিসহ…

Read More

রামবাসক গাছের উপকারীতা

রামবাসক গাছের উপকারীতা

রামবাসক গাছের উপকারীতাঃ রামবাসক গাছটি সাধারণ বাসক গাছ। আমাদের দেশের সর্বত্রই জন্মে। রামবাসকের পাতা বোঁটা থেকে ঝুলে থাকে এবং কিছুটা গোল ধরণের ও আগার দিকটা বর্শার ফলার মত দেখতে। পাতার রস খুবই তিতা। এগাছের ফুলের রং কমলা রঙের হয় অথবা কখনো কখনো ইঁটের মত লাল হয়। ফলের আকৃতি চারকোণা বাক্সের মত। প্রতিটি ফলের মধ্যে ১২ থেকে ১৪ বীজ থাকে। এই রামবাসক গাছটি আমাদের বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসাবে সাহায্য করে। হুপিং কাশিতেঃ সাধারণ সুর্দি-কাশির থেকে হুপিং…

Read More

শিউলি ফুলের উপকারীতা

শিউলি ফুলের উপকারীতা

শিউলি ফুলের উপকারীতাঃ বিভিন্ন অসুখে ব্যবহারঃ পৈত্তিক জ্বরেঃ শিউলি পাতার রস ৩ চামুচ করে দিনে তিনবার খাওয়ালে পৈত্তিক জ্বর দ্রুত ভাল হয়ে যায়। বিষম ও অবিরাম জ্বরেঃ শিউলি গাছের ৬ টি থেকে ৮ টি পাতা সামান্য পানির সাথে বেটে তার মধ্যে টাট্কা আদার রস মিশিয়ে রোগীকে খেতে দিলে উভয় জ্বরে আরাম পাওয়া যাবে। এ ঔষধ প্রয়োগের সময় শাক-সব্জি বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। মাথার খুস্‌কিতেঃ শিউলি-বীজের গুঁড়া গোসল করতে যাবার ২/৩ ঘন্টা আগে সামান্য পানি গুলে…

Read More

নয়নতারা ফুল গাছের উপকারীতা

নয়নতারা ফুল গাছের উপকারীতা

নয়নতারা ফুল গাছের উপকারীতাঃ নয়ন তারা আসলে একটি বর্ষজীবী সোজা কান্ডযুক্ত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি বহু বছর ধরে নান প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও বেঁচে থাকে। নয়নতারা গাছ লম্বায় খুব একটা বড় হয় না। সাধারণভাবে দেয় থেকে দু’ফুটের মত লম্বা হয়। বিভিন্ন অসুখে ব্যবহারঃ বহুমূত্র রোগেঃ রোজ সকালে নয়নতারার সাদা ফুল গাছের দু’টি পাতা খালিপেটে চিবিয়ে খেলে রোগ মোটেই বাড়তে পারে না। যাঁদের দাঁত নেই তাঁরা পাতাকে সামান্য পানি দিয়ে বেটে এক চামচ পরিমান…

Read More

কৃষ্ণকলি ফুলের উপকারীতা

কৃষ্ণকলি ফুলের উপকারীতা

কৃষ্ণকলি ফুলের গুণাগুণঃ আপনি জানেন কি? কৃষ্ণকলি ফুল আপনার কি কি উপকারে আসতে পারে? কৃষ্ণকলি গাছটি সাধারণত সাদা, কাল, লাল, সাদালাল, ও হলুদ এ পাঁচটি রং-যুক্ত ফুলের জন্যে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত। কৃষ্ণকলি গাছের শিকড় গোলাকার এবং লম্বা। তবে ভিতরটা সাদা ও সামান্য সবুজ রঙের। পুরানা শিকড় শুকিয়ে গেলে শক্ত হয়ে যায়। নতুন শিকড় চামড়ার মত। পাতাগুলো দেখতে অনেকটা পানের মত। লম্বায় দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি হয়। হৃদপিন্ডের মত ফুলের ধারাগুলো কাটা থাকে, পাঁপড়ি অবিভক্ত। পুষ্পদল…

Read More

পুঁইশাক কেন খাবেন কি এর উপকার

পুঁইশাক কেন খাবেন কি এর উপকার

পুঁইশাক কেন খাবেন কি এর উপকার ও ক্ষতি জেনে নিনঃ পুঁইশাকঃ পুঁই হল-শীতবীর্য, স্নিগ্ধ, শ্লেষ্মকর, বায়ু ও পিত্তনাশক; কন্ঠেন পক্ষে অহিতকর, পিচ্ছিল, নিদ্রাজনক, শুক্রবর্দ্ধক, রক্তপিত্তনিবারক; বলকর, রুচিপ্রদ, সুপথ্য পুষ্টিকারক ও তৃপ্তিজনক। পুঁইশাক কাম উদ্দীপক। সে জন্যে অবিবাহিতদের জন্য পুঁইশাক খাওয়া একবারেই নিষিদ্ধ। পুঁইশাক তিন প্রকারের হয়-সাধারণ, বনজ ও ক্ষুদ্রপত্র বিশিষ্ট। বনক পুঁইশাক-উষ্ণবীর্য ও কটু-তিক্ত রসযুক্ত। আর ক্ষুদ্রপত্র পুঁইশাকের গুণ প্রায় সাধারণ পুঁইশাকের মত। পুঁইগাছের একটি শিকড় ভাল করে বেটে, আড়াই 2.50 গ্রাম পানি মিশিয়ে পুরাটা…

Read More

যে কারণে বেশি পালংশাক খাবেন

যে কারণে বেশি পালংশাক খাবেন

কেনো বেশি বেশি পালংশাক খাবেন? পালংশাকঃ এক প্রকার পালংশাক আছে তার নাম চুকাপালং। আর অন্য প্রকার হল ছুরিফা এ উভয় প্রকার শাকের গুণও বিভিন্ন প্রকার- ছুরিকা পালংকে বাতজনক, শীতবীর্য, শ্লেষ্মকর, ভেদক, গুরু, বিষ্টম্ভী এবং শ্বাস, রক্তপিত্ত ও বিষদোষ বিনষ্ট করে। আর চুকাপালঙ্কের গুণ হল- অতিশয় অম্লস, বাতঘ্ন, কফ ও পিত্তকারক, রুপিপ্রদ ও লঘুপাক। বিশেষ বেগুনের সাথে পাক করলে বিশেষ রুচিকর হয়।   Share this…FacebookTwitterLinkedinTumblrVK

Read More

কল্‌মীশাকের ক্ষতি ও উপকারীতা

কল্‌মীশাকের ক্ষতি ও উপকারীতা

কল্‌মীশাকের ক্ষতি ও উপকারীতাঃ আমরা সচরাচর বলতে গাছ-গাছড়ার পাতাকেই বুঝে থাকি। কবিরাজী শাস্ত্রে শাক শব্দে পত্র, অঙ্কুর, কান্ড, মূল, মজ্জাদিও নামে উল্লিখিত হয়েছে। কল্‌মীশাকঃ- কল্‌মী শাকের গুণ-স্তন্যদুগ্ধজনক, শুক্রবর্দ্ধক। বায়ুনাশক, কফজনক ও বলবর্দ্ধক। অর্থাৎ রক্ত-প্রবৃত্তিরোধক, মূর্চ্ছা, তৃষ্ণা, দাহ ও ঘর্ম প্রশমক, বাত, দূরকারক, পুষ্টিপ্রদ ও শ্লেষ্মাজনক। আমাদের দেশে প্রসূতির স্তন্যদগ্ধ বৃদ্ধির জন্যে কল্‌মীর ঝোল প্রসূতিকে খেতে দেয়া হয়। হিষ্টিরিয়া রোগী ও মস্তিষ্ক-বিকারগ্রস্ত ব্যক্তির পক্ষে কল্‌মীশাক বিশেষ উপকারী। বসন্ত রোগরে প্রথমেই এ শাকের রস পান করালে বসন্তের গুটিগুলো…

Read More

কবিরাজ বাড়ি

কবিরাজ বাড়ি

কবিরাজ বাড়ি ও গাছ-পালা বিষয়ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারণাঃ কবিরাজী হাকীমী এবং আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে শাক-সব্জী, লতা-পাতা ও ফল-ফলাদির বহুগুণাগুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অতি প্রাচীনকাল থেকে এগুলোর দ্বারা মানুষ অসুখ-বিসুখে উপকৃত হয়ে আসছে। হাকীম লোকমানও এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে অমর হয়ে রয়েছেন। তার বর্ণিত পদ্ধতিরিই আলোচনা হচ্ছে এই ওয়েব সাইটে। বর্তমানে অনেকেই গাছ-গাছড়া চেনেন না, জানেন না। গাছ-গাছড়ার গুণাবলী সম্বন্ধে মানুষের পুঁথিগত বিদ্যা থাকতে পারে, কিন্তু গাছ-গাছ চেনা সম্বন্ধে মানুষের জ্ঞান খুবই নগণ্য। এ কারণে স্বদেশী…

Read More